• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ২১ মে, ২০২৩

‘উচ্চ রক্তচাপ থে‌কে বাঁচতে কাঁচা লবণ বাদ দিতে হবে’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ৫০ ভাগ মানুষ তাদের রোগ সম্পর্কে জানেন। বাকি ৫০ ভাগ তাও জানেন না। এই রোগ থে‌কে বাঁচার জন্য খাদ্য তালিকা থেকে কাঁচা লবণ বাদ দিতে হবে। ধূমপান না করা, স্ট্রেস না নেওয়া এবং বিনা প্রয়োজ‌নে মোবাইল দীর্ঘসময় না চালানো। মোবাইল বেশি ব্যবহার করার ফলে মানুষ অলস হয়ে পড়ছে। সামাজিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এতে করে মানুষ ক্রমাগত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস-২০২৩ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কর্মসূচির আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগ। এসময় তিনি এসব কথা বলেন।

‘সঠিকভাবে রক্তচাপ পরিমাপ করুন, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং দীর্ঘদিন সুস্থ থাকুন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, উচ্চ রক্তচাপ নীরব ঘাতক। এর কারণে নানান জটিল রোগের সৃষ্টি হয়। উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক স্বাস্থ্যখাতে নানান উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবার আমাদের দেশের মানুষের গড়ায়ু ৭৩ বছর হয়েছে। তি‌নি প্রধানমন্ত্রীর শতায়ু কামনা করেন।

শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, সারাবিশ্বে ১৫০ কোটি লোক ও বাংলাদেশে প্রায় ৩ কোটি লোক উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। রক্তচাপ আক্রান্ত ১৪% মানুষ তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। দেশে প্রতি ৫ জনে ১ জন, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশ হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এর ফ‌লে কিডনি, লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়া, অন্ধ হয়ে যাওয়া, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ নানান ধরণের অসুখ হ‌তে পা‌রে। তাই, সক‌লের মাসে অনন্ত দুবার প্রেসার মাপতে হবে।

এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুর রহমান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ  হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. রসুল আমিন, সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক ডা. ফাতিমা জহুরা  প্রমুখসহ কার্ডিওলজি বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন