• ঢাকা
  • বুধবার, ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৬ জুলাই, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০২৩

দ. কোরিয়ায় প্রবল বর্ষণে তলিয়ে গেলো টানেল, দেশজুড়ে ২৮ প্রাণহানি

ভারী বৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধসে নাজেহাল দক্ষিণ কোরিয়ার জনজীবন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি। একটি প্লাবিত ভূগর্ভস্থ টানেলে আটকে থাকা বাস থেকে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত কয়েকদিনে দেশজুড়ে ২৮ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে সরকার।

ওসোং শহরের কর্তৃপক্ষ রবিবার (১৫ জুলাই) ইয়োনহাপ বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, উদ্ধারকর্মীরা ওই টানেলের ভেতর থেকে ৬ জনের মৃতদেহ বের করেছে।

আগের দিন শনিবার পর্যন্ত টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী মিহো নদীর তীরের একাংশ ধসে পড়ে। এতে চার লেনের আন্ডারপাসটি তলিয়ে গেলে অনেক গাড়ি আটকা পড়ে। পানি দ্রুত গতিতে ভেতরে ঢুকে পড়ায় ভেতরে থাকা মানুষজন বের হওয়ার সময় পায়নি। শনিবার প্রবল স্রোতে ওই টানেলে বাসসহ ১৫টি গাড়ি আটকা পড়েছিল। এই ঘটনায় ১১ জন নিখোঁজ হন।

পানিতে তলিয়ে গেছে টানেল, ভেতরে আটকা থাকা মানুষের সন্ধান চালাচ্ছে উদ্ধারকারীরা, ছবি: রয়টার্সপানিতে তলিয়ে গেছে টানেল, ভেতরে আটকা থাকা মানুষের সন্ধান চালাচ্ছে উদ্ধারকারীরা, ছবি: রয়টার্

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা একজন ইয়োনহাপ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘পানি যখন টানেলের মুখে প্রবেশে করতে থাকে তখন ভেতরে অনেক গাড়ি ছিল। এই পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ কেন টানেলের মুখ দ্রুত বন্ধ করে দেয়নি আমি বুঝতে পারছি না।’

গত ৯ তারিখ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। প্রবল স্রোতে অনেক ঘর-বাড়িতে নরম কাদা মাটি ঢুকে পড়েছে। এতে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন অনেক বাসিন্দা।

দেশটির মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মানুষকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে উত্তর চুংচেং প্রদেশের গোয়েসান বাঁধের পানি উপচে পড়ে। এতে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত সরে যাওয়ার নিদের্শ দেওয়া হয়।

খারাপ আবহাওয়ায় বিঘ্নিত হচ্ছে বিমান চলাচল। এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কিছু বুলেট ট্রেনের শিডিউলেও বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ঝুঁকি থাকায় প্রায় ২০০ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সূত্র: আল জাজিরা

আরও পড়ুন