• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ৫ নভেম্বর, ২০২৩

চাটখিলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণহীন

মোহাম্মদ আমান উল্যা, উপজেলা প্রতিনিধি, চাটখিল : চাটখিল উপজেলায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। চাটখিল পৌর বাজার ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় পাইকারী ব্যবসায়ীরা কৌশলগত ভাবে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে খুচরা বিক্রেতারা দিশেহারা হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ বলছে পণ্য পরিবহনে হরতাল-অবরোধের কারণে দাম আরও বেশি বৃ্দ্িধ পাচ্ছে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে দাম বৃদ্ধির মূল কারণ জানা যাচ্ছে না পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছে।তবে বিভিন্ন ক্রেতারা বলছে, পাইকারী দর এক টাকা দাম বাড়ালে খুচরা ব্যবসায়ীরা সেটাকে ০৫ টাকা বাড়িয়ে ফেলে।

গতকাল রবিবার (৫ নভেম্বর) সকালে চাটখিল উপজেলার বিভিন্ন বাজারে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খুচরা মূল্যে (প্রতি কেজি) লাল শাক প্রতি কেজি ১২০-১৩০, আলু ৬০-৮০টাকা, পেয়াজ ৯০-১১০টাকা, মুলা ৮৫-৯০ টাকা, বেগুন ১০০-১১০টাকা, ফুলকপি-৯০-১১০টাকা, রসুন ১৯০-২২৫টাকা, কাচা মরিচ ২৫০-২৮০টাকা, টমেটো ১০০-১৩০ টাকা, বরবটি ৯৫- ১১০ টাকা, ঢেড়স ৮৫ টাকা, হাড়সহ গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও হাড় ছাড়া গরুর মাংস ৮০০-৮৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার চাহিদার অতিরিক্ত পণ্য সামগ্রী থাকলেও দাম বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কোন কারণ খুচরা ব্যবসায়ীরা জানাতে পারেনি। পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পরস্পরকে দোষারোপ করেই যেন দায়সাড়া। অনুসন্ধানে দেখা যায় পণ্যের সংকট না থাকলেও ক্রেতার সংকট রয়েছে। বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম পরিলক্ষিত হয়। ক্রেতারা অনেকেই জানান, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রয়োজনীয় ভোগ পণ্য ক্রয় করতে পারছে না। সীমিতভাবে ক্রয় করে কোনমতে জীবনযাপন করছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বাজার মনিটরিং করলে ব্যবসায়ীরা মনগড়া দাম বৃদ্ধি করতে পারবে না বলেও অনেক ক্রেতা জানান।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক মোঃ কাউছার মিয়ার মুঠো ফোনে বুধবার দুপুরে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তিনি ফেনী ও নোয়াখালী দুই জেলার দায়িত্বে থাকায় সকল উপজেলা মনিটরিং করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে না পারলে পরবর্তীতে তিনি চাটখিলে অভিযান পরিচালনা করবেন।

আরও পড়ুন