• ঢাকা
  • বুধবার, ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ৫ নভেম্বর, ২০২৩

শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক আনোয়ার উল্লাহ এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী

নিউজ ডেস্ক : বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মুহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ হেড মাষ্টারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী গেলে বুধবার (১লা নভেম্বর)। জানা যায়, মুহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ হেড মাষ্টার জেলার সদর উপজেলার সালেহপুর গ্রামে ১৯৪০ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম চৌধুরী মিয়া। তিনি শিক্ষা জীবনে নোয়ান্নই ইউনিয়ন হাইস্কুল থেকে মেট্টিক, ঢাকা কলেজ থেকে আই এ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বি.এড ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাশ করেন।

কর্মজীবনে তিনি ১৯৫৭-১৯৫৮ সাল পর্যন্ত ঢাকায় সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত ছিলেন। ১৯৫৯- ১৯৬২ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিস সহকারি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৩ সালে টিভি রোগে আক্রান্ত হলে চাকুরী ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। ১৯৬৪ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত নোয়ান্নই ইউনিয়ন হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে জমিদার হাইস্কুল, খলিফার হাট হাইস্কুল এবং পানামিয়া হাই স্কুলের হেডমাস্টারের দ্বায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ থেকে ২০০১ পর্যন্ত শিবপুর মুসলিম গার্লস স্কুলে প্রতিষ্ঠাতা হেডমাস্টার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন এবং শিবপুর মুসলিম গার্লস স্কুলের পাঠদানের অনুমতি এবং এমপিও ভুক্তিকরণে লেখাপড়ার মান উন্নয়ন সহ সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে তাঁর অবদান চির স্মরণীয়। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তিনি ১৯৫২ বাংলা ভাষা আন্দোলনে নোয়ান্নই ইউনিয়ন হাই স্কুল থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দেন এবং মিছিল নিয়ে নোয়াখালী শহরে অবস্থান করেছিলেন। ১৯৭১ তাঁর ছাত্র ছাত্রীদের কে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন এবং প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেন।

তিনি সাবেক স্পীকার জনাব আবদুল মালেক উকিল সাহেবের বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন। তাঁর জীবনদশায় তিনি বহু স্কুল কলেজ মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাঁর সর্বকনিষ্ঠ ছেলে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এবি মিল্লাত চৌধুরী (এম এ.এলএল বি) পিতার আড্ডার মাগফিরাত কামনায় সবার নিকট দোয়া চেয়েছেন। এছাড়াও শিক্ষকতাকে আদর্শিক এবং দেশ ও জাতি গড়ার কারিগর হিসাবে আখ্যায়িত করেন। সর্বশেষ বাবার আদর্শ ধারণ করে অবহেলিত মানুষের সেবা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন