• ঢাকা
  • সোমবার, ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ২১ নভেম্বর, ২০২৩

সেনাবাহিনীর ৯৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা পেল সংবর্ধনা

বিশেষ প্রতিবেদন : সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৩ উদযাপন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সেনাবাহিনীর ৯৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা সেনানিবাসের এমআর চৌধুরী প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন বীরত্বগাঁথা ও মুক্তিযুদ্ধের সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়। জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য এবং তাদের নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন। এরপর কেক কেটে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৩ উদযাপন করা হয়।

এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিওসি মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনা সদস্য, সেনানিবাসে অবস্থিত অসামরিক ব্যক্তিবর্গকে পাক হানাদাররা অতর্কিত হামলা চালিয়ে অন্তরীণ করা হয়। অন্তরীণ করা হয় কুমিল্লা শহরের অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে। তারপর শুরু হয় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। ২৪ জন সেনাকর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ৩০০ জন সেনাসদস্য এবং ইস্পাহানী পাবলিক স্কুলের ১১ জন শিক্ষকসহ প্রায় ৫০০ জন ব্যক্তিবর্গকে বর্বর পাক হানাদার বাহিনী হত্যা করে। আমরা শ্রদ্ধার সাথে তাদের স্মরণ করছি।

মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান আরও বলেন, আজ ২১ নভেম্বর মহান সশস্ত্র বাহিনী দিবস, যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সম্মিলিত আক্রমণ সূচিত হয়। এর ফলে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা অর্জন করি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ বাংলাদেশ। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধার অংশ হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সেনাবাহিনীর ৯৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সম্মানে সংবর্ধনা দিচ্ছি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা উবায়দুল মুকতাদির চৌধুরী, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য শিরীন আখতার, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, কুমিল্লা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জামাল আবু আছের, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহিদ পরিবারে সদস্যবৃন্দ, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

  • বিশেষ প্রতিবেদন এর আরও খবর