• ঢাকা
  • বুধবার, ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার আলোচনায় দেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের সকলকে ঐক্যবন্ধ হওয়া আহবান

নিউজ ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা ২০২৩ এর বিজয় মেলায় ‘মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের আজকের বাংলাদেশ’ মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার ধারাবাহিক আলোচনায় আজকের আলোচনার বিষয় ছিল, ‘মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের আজকের উন্নয়ন’।

সভাপতিত্ব করেন প্রথম বিজয় মেলা পরিষদের সদস্য সচিব আ. ন. ম জাহের উদ্দিন। জেলা শিক্ষক সমিতির উপদেষ্টা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আলম সিদ্দিকী রাজু। দর্শক সারিতে সকলের সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।

আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবদুল আজিজ পুলক এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার আলোচনা বিষয়ক উপ-পরিষদ এর আহ্বায়ক কামাল হোসেন মাসুদ।

আলোচনা নুর আলম সিদ্দিকী রাজু বলেন, আমরা ১৯৭৫ পরবর্তী থেকে ১৯৯৬ সালের পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ততকালীন রাষ্ট্র পরিচালকগণদের চরিত্র ও তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানি। তার আগের কথা এখানে সিনিয়রগণ আছেন তাঁরা বলবেন। আবার ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কেমন উন্নয়ন হয়েছে, তার প্রমান এখনও বিদ্যমান আছে। ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অবস্থা কতটা নাজুক ছিলো তার বিবরণ দিতে অনেকের শরীর শিহরে উঠে। ২০০৮ সালের পর যখন আওয়ামী লীগকে জনগণ বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন, তখন থেকে এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন শুরু হয়। আজ বাংলাদেশকে গোটা পৃথিবী চিনে, শেখ হাসিনাকে গোটা পৃথিবী চিনে জানে। বাঙালী জাতিকে সারা বিশ্ব সম্মান করে। আমার পক্ষে বর্মতান সরকারের উন্নয়নের বর্ণনা দেওয়ার সময় নাই, সময় সংকট, সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ৩০ লক্ষ তাজা প্রাণ ও তিন লক্ষ মা,বোনের সম্রমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিদায় নিচ্ছি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় বক্তা আলমগীর হোসেন বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করেছেন। কিন্তু প্রথমিক বিদ্যালয়ের পর, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে জেতে পারেন নাই। আমি ভেবেছিলাম, বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করবেন, কিন্তু এত উন্নয়ন করেছেন, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কে আজও জাতীয়করণ করেন নাই, আমি মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার বিজয় মঞ্চ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন করছি, যেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কে জাতীয়করণ করা হয়।

সভাপতি আ.ন.ম জাহের উদ্দিন বলেন বাংলাদেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধি এখন এদেশের মানুষের মুখে মুখে। সারা বিশ্ব এই উন্নয়নের সুনার করছে, অনেক দেশ বাংলাদেশের উদাহরণ দিচ্ছে আমরা পত্রপত্রিকায় দেখি। কিন্তু মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমেছে, একটা শ্রেণির মানুষ ক্রয় ক্ষমতা হারিয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরবর্তী এই সময়ে উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমার বিষয় লক্ষনিয়। আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিশ্রুতি বদ্ধ আমরা জানি। তবে সরকারের উচিত দেশের মুদ্রাস্ফিতির দূর করা ও দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা।

আরও পড়ুন

  • নোয়াখালী সদর এর আরও খবর