• ঢাকা
  • বুধবার, ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩

হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন খন্দকার রুহুল আমিন

উপজেলা প্রতিনিধি, চাটখিল : হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্নভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে নোয়াখালী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার রুহুল আমিন। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় নোয়াখালী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার রুহুল আমিনের প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে গত বুধবার বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি বিশ্বজিত দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আজহার উল্লাহ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান ও অ্যাডভোকেট মো. ইমাম হাসান।

হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে প্রচার-প্রচারণা চালানোর বিষয়ে জানতে চাইলে আ্যডভোকেট মো. ইমাম হাসান গতকাল শুক্রবার বিকেলে জানান,খন্দকার রুহুল আমিন এপিলেট ডিভিশনে মামলা করেছেন, এপিলেট ডিভিশন হাইকোর্টের রায়ে কোন হস্তক্ষেপ করেনি। এপিলেট ডিভিশন যতক্ষণ পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্ট্রে না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সে কোন কিছুই করতে পারবে না। যদি তিনি এই মুহূর্তে কোন প্রচার প্রচারণা চালান এটা মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে চালাচ্ছেন।

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা জানান, খন্দকার রুহুল আমিন এর প্রার্থিতা বাতিলের ব্যাপারে আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে এখনো কোন চিঠি পাইনি, চিঠি পেলে আমরা উনার প্রচার প্রচারণা বন্ধ করে দেব।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ার মাহবুবুর রহমান জানান, খন্দকার রুহুল আমিন এই মুহূর্তে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন কিনা এ বিষয়ে আমি জানিনা, নির্বাচন কমিশন থেকে কাগজপত্র পেলে আমরা পর্যালোচনা করে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিব।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক তথা বিদেশি নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করে নোয়াখালী-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছিলেন খন্দকার রুহুল আমিন। এমন অভিযোগ করে গত ১৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন শফিকুর রহমান।

এরপর খন্দকার রুহুল আমিনের দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত করে ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ওই প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) মাধ্যমে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে।

তদন্তে খন্দকার রুহুল আমিনের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি উঠে আসে। তার বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট ব্যবহারের তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বুধবার নির্বাচন কমিশনকে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন