• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

আবারও পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে আ.লীগ-বিএনপি

৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আবার কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ এবং কালো পতাকা মিছিল বের করবে বিএনপি। এর আগে সরকার পতনসহ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে হরতাল, অবরোধ, কালো পতাকা মিছিল, সমাবেশ পালন করেছে দলটি।

প্রায় আড়াই মাস পর শনিবার ঢাকাসহ মহানগরগুলোতে কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি ও তার সহযোগী রাজনৈতিক দলগুলো। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চড়া দামের প্রতিবাদ এবং কারাবন্দি নেতাকর্মীর মুক্তি, সংসদ বাতিল ও সরকারের পদত্যাগ দাবিতে দুপুর ২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। এ ছাড়া আজ শুক্রবার সারাদেশে জেলা পর্যায়ে কালো পতাকা মিছিল হবে। এরইমধ্যে এ কর্মসূচি পালন করার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের (ডিএমপি) মৌখিক অনুমতি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগে রোববার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

অন্যদিকে, শনিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

গত ২৮ অক্টোবর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ এক দফা দাবিতে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি মহাসমাবেশ কর্মসূচির ডাক দেয়। অন্যদিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে ব্যাপক ভাঙচুর অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এছাড়া প্রধান বিচারপতির বাসভবন এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়। হামলায় একজন পুলিশ কনস্টেবল নিহত হন।

এরপর ২৮ অক্টোরবরের এই ঘটনায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার হন। দলের হিসাবে, গত বছরের ২৮ জুলাই থেকে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত এক হাজার ১৮২টি মামলায় দলের মোট ২৭ হাজার ৫০৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি এক লাখের ওপর নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

এ কারণে কয়েক দফা হরতাল-অবরোধের ডাক দিলেও কর্মসূচি সফল করতে পারেনি বিএনপি। এরপর বিকল্প কর্মসূচি পালন করে দলটি। ভোটের আগে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে মাসখানেক বিএনপি ও তার মিত্ররা লিফলেট বিতরণ করেছে। তবে নির্বাচনের পর কিছুদিন বিএনপির লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখলেও পাল্টা কর্মসূচি নেয়নি সরকার সমর্থকরা।

আরও পড়ুন