• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১৫ মার্চ, ২০২৪

আমি কি জনতা ব্যাংকের বাস পোড়াতে গিয়েছিলাম: হাফিজ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আমাকে মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করে আসতে হয়েছে। আমি কি জনতা ব্যাংকের বাস পোড়াতে গিয়েছিলাম? আমি ৩৪ বছর আগে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলাম। অনেক লুটেরা চেষ্টা করে ব্যাংকের টাকা মেরে দেয়ার জন্যে। আমি কঠিনভাবে সেটি প্রতিরোধ করেছিলাম।

তিনি বলেন, এমনকি সেনা বাহিনীর সবচেয়ে সিনিয়র মোস্ট অফিসার লেফট্যানেন্ট জেনারেল খাজা ওয়াসিউদ্দিন, তিনি আমাদের সকলের শ্রদ্ধার পাত্র। তিনি অযৌক্তিকভাবে একটি লোন নিতে চেয়েছিলেন, দেইনি। মিজানুর রহমান চৌধুরী বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এককালে। তিনি জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মাসাত করার চেষ্টা করেছিলেন, তার পক্ষে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আমাকে টেলিফোন করেছিলেন, আমি সেটি বাস্তবায়িত হতে দেইনি। এভাবে যে ব্যাংকের স্বার্থ রক্ষা করে এসেছি, সেই ব্যাংকের গাড়ি পুড়িয়েছি আমি?

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে ‘স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটি’র প্রথম বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির ওপরে যে অত্যাচার-নির্যাতন, বিশেষ করে পুলিশি হামলা-মামলার সম্মুখীন হয়েছে, সাম্প্রতিককালে পৃথিবীর ইতিহাসে এই ধরনের নির্যাতন অন্য কোনো রাজনৈতিক দল ভোগ করেছে বলে আমার জানা নেই্। তিনি বলেন, আমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে, ৮০ বছর বয়স। রাজনীতির অনেক পর্যায় দেখেছি, আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই যে, অতি অল্প সময়ের মধ্যে জনগনের সমর্থন নিয়ে এই জনপ্রিয় দল বিএনপি আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হবে।

‘বিএনপি একটি হতাশাগ্রস্থ দল’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরে এমন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, বিএনপি মোটেই হতাশাগ্রস্থ একটি দল নয়, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। যদি বিগত নির্বাচনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতো তাহলে এই রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকতো আমাদের দল বিএনপি। দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপিকেই সমর্থন করে।

সকাল ১১টায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় হাফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির প্রথম বৈঠক হয়। এতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী, সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আবদুস সালাম আজাদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাখাওয়াত হাসান জীবন, বিলকিস জাহান শিরীন, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক খান উপস্থিত ছিলেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে উদ্যোগ নিয়েছি। রাজধানী এবং রাজধানীর বাইরেও বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করব। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির সবচেয়ে বড় গৌরবের। দুঃখের বিষয় ৫৩ বছর পার হয়ে গেছে। স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাসকে ইতোমধ্যেই অনেক বিতর্কিত করে ফেলা হয়েছে।

আরও পড়ুন