স্টাফ রিপোর্টার ; সোনাইমুড়ীতে স্থায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক প্রভাব ও বৈষম্যের মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তির বিপরীতে আওয়ামী নেতার মনোনীত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়োগ বৈষম্যের শিকার বজরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ আবদুল কাদের।
তিনি জানান, রাজনৈতিক প্রভাবে বৈষম্যের মাধ্যমে ২০২০ সালে প্যানেলের ১ম স্থান অধিকারকারী মোঃ আবদুল কাদেরকে নিয়োগ বঞ্চিত করা হয়। অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে মোঃ নুর আলমকে নিয়োগ প্রদান করা হয়।৭নং বজরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিরন অর রশিদ, উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার ও অফিস সহকারীর
যোগসাজশে জাল ও অবৈধ প্যানেল তৈরী করে নুর আলমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।আবদুল কাদের আরো উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর উপজেলার বজরা ইউনিয়নে নিকাহ রেজিস্টার শূন্য পদের বিপরীতে স্থায়ী নিকাহ রেজিস্টার নিয়োগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভা কক্ষে নিকাহ রেজিস্টার লাইসেন্স মঞ্জুরী কমিটির সভাপতিত্বে সাত জনের একটি প্যানেল তৈরী করা হয়। সেই পরীক্ষায় নির্বাচনী বোর্ডের বিবেচনায় ১ম স্থান অধিকার করেন বজরার রশিদপুর গ্রামের মোঃ আবদুল বাকীর ছেলে মোঃ আবদুল কাদের। পরে আবদুল কাদেরকে নিয়োগ দিতে নিয়োগ
নির্বাচনী প্যানেল তাদের স্বাক্ষরকৃত কাগজ আইন মন্ত্রণালয়ের বিচার শাখা-০৭ এর সচিব বরাবর প্রেরণ করেন। তবে বজরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার ও অফিস সহকারীর যোগসাজশে নিয়োগ বোর্ডের সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে অবৈধ প্যানেলের মাধ্যমে বজরা শিলমুদ গ্রামের মোঃ তাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ নুর আলমকে নিয়োগ প্রদান করেন।