উপজেলা প্রতিনিধি, সুবর্ণচর : সুবর্ণচরে অসহায় এক পরিবারে ছেলের বিয়েতে চাঁদা না দেয়ায় সমাজের সভাপতি ফখরুলের নেতৃত্বে বিয়ে বাড়ীতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে চর জব্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী মফিজ উদ্দিন।
২৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ঘটনাটি ঘটে সুবর্ণচর উপজেলার চর জুবিলী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড ২২ নং দিঘী দক্ষিন বাগ্যা গ্রামের মফিজের বাড়ীতে।
ভুক্তভোগী মফিজ বলেন, গতকাল আমার পুত্র আবুল কালাম (২২) বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান চলছিলো, আমি গরীব মানুষ তাই অনুষ্ঠানটি ছোট পরিসরে আয়োজন করি এতে সমাজের সবাইকে দাওয়াত দেয়া সম্বব হয়নি। বিভিন্ন ভাবে ধারদেনা করে সন্ধ্যা ৭ টায় গায়ে হলুদের বাজার করার জন্য নগদ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে যাওয়ার পথে আমার বাড়ীর সামনের রাস্তায় মান্নান সারেং সমাজের সভাপতি মৃত হানিফ ফরাজির পুত্র ফখরুল (৬০), সমাজের চাঁদার জন্য অকত্য ভাষায় গালমন্ধ করেন আমি প্রতিবাদ করলে ফখরুল আমাকে মারধর করে আমার পরনে থাকা পাঞ্জাবী ছিঁড়ে পেলে, আমার মেয়ের জামাই করিম প্রতিবাদ করলে একই গ্রামের মৃত বেলাল হোসেনের পুত্র সামছু্ল হক (৪০), জয়নাল(৩০), খুরশিদ আলমের পুত্র মিরাজ (৩৫), রেজাউল হক সর্দারের পুত্র জাহেদল হক মনা (২৫), তাকে মারধর করে সামছুল হক এবং জয়নাল পকেটে থাকা বাজার ৫০ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের শৌর চিৎকার শুনে আমার মেয়ে নাছিমা প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা বাড়ীতে গিয়ে মারধর করতে করতে রাস্তায় নিয়ে আসে। এবং তারা কিভাবে বিয়ে হয় সেজন্য দেখে নেবার হুমকি দেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী বলেন, ৫ আগস্টের পর বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে, ফখরুল সহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায় করেন এবং সমাজের মানুষতে তুচ্ছ তাচ্ছ্বল্য করে আসছেন।
অভিযুক্ত জয়নাল বলেন, মফিজ মিয়া সমাজের চাঁদা দেয়নি সমাজের টাকা চাইতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হন এতে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে মারধরের ঘটনা ঘটেনি বাকি সকল অভিযোগ তিনি অস্বিকার করেন।
লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চরজব্বর থানা।
চরজব্বর থানার এসআই আসিষ ঘটনার সত্যতা ম্বিকার বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি সমাজের টাকা জন্যই ধাস্তাধস্তি হয়েছে, আগামি রোববার উভয় পক্ষকে বসে একটা সমাধান করার জন্য বলা হয়েছে।