কিছু দিন এমনই হয়- তাল-লয়ের সঙ্গে সুরের থাকে না সামঞ্জস্য। বাংলাদেশের পোস্টার বয় সাকিব আল হাসানও ঠিক এমনই একটা দিন দেখলেন আজ। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে তার দল অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা ফ্যালকনস ৪ উইকেটে জিতেছে ঠিকই, তবে ব্যাট-বলে নামের সুবিচার করতে পারেননি সাকিব।
বৃহস্পতিবার টস জিতে অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান বারবুড়া ফ্যালকনসের অধিনায়ক ইমাদ ওয়াসিম। পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার পরে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে যে মোটেও ভুল করেননি তা প্রমাণ করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়নি ভক্তদের। দ্রুতই মঈন আলিকে ফিরিয়ে ব্যাক থ্রু এনে দেন জেইডেন সিলস।রীতিমতো তাণ্ডব লীলা চালিয়ে ম্যাকডারমট-শাই হোপদের ৯৯ রানে করেন বোতল বন্দি। তার সঙ্গে আক্রমণে সামিল ছিলেন পাকিস্তানের স্পিনার উসামা মির।
জবাবে দলীয় ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়লেও শেষটা অসুন্দর হতে দেননি আমির জাঙ্গু। ফাবিয়ান অ্যালেনকে নিয়ে ৫ বল হাতে রেখে জয় বন্দরে পৌঁছান তিনি। ফ্যালকনের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন জাঙ্গু। ৫৭ বলে ৫১ রান করেন তিনি।
ফ্যালকনসের উৎসবের দিনে সাকিব বল হাতে ছিলেন একটু বেশিই খরুচে, ব্যাটিংয়েও তেমন ভালো করতে পারেননি। তবে দলের সার্বিক উন্নতিতে তার রেখে যাওয়া ক্ষত খুব একটা আলোচনায় আসেনি। এদিন সাকিব কোটার চার ওভার বোলিং করে তুলেছেন এক উইকেট। খরচ করেছেন ২৮ রান। ৭ ইকনোমি রেটে খরচা করেছেন। যা দলের বোলারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর প্যাড-ব্যাট নিয়ে বাইশ গজে টিকতে পারেন দুই বল। দ্বিতীয় বলে মঈন আলির লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন সাকিব।
সিপিএলে সাকিবের যাত্রায় মধুর চেয়ে অম্লটাই বেশি। ব্যাটে থেমে গেলে বল হাতে পুষিয়ে দেওয়া সাকিব কোথায় যেন আটকে যাচ্ছেন। কখনো একটু বেশি রান খরচ করছেন, আবার উইলো খণ্ড হাতেও ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। আসরে ১০ ম্যাচে কেবল ৬ উইকেট তুলতে পেরেছেন সাকিব। ব্যাট হাতে ২০ রানের গণ্ডি পেরোতে পেরেছেন দু’বার।