মো. জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরী, সেনবাগ : সেনবাগের দক্ষিন শ্রীপদ্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কর্তৃক ৮বছরের এর হিন্দু শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিরোনামে দৈনিক নোয়াখালীর কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ১৬ অক্টোবর প্রিন্ট সংস্করণে ১৭ অক্টোবর সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি সেনবাগ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নজরে আসায় তিনি অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মুছার (৫০)বিরুদ্ধে এক সদস্য বিশিষ্ঠ্য তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমানকে। তিনি আগামী তিন দিনের মধ্যে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে তদন্ত রিপোট শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়ছে বলে সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ার ফারেভেজ।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, গত মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দক্ষিন শ্রীপদ্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর ছাত্রী(৮) কে ক্লাশ রুমে একা পেয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মুছা ওই ছাত্রীর গোপন অঙ্গ সহ শরীরে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করে। এরপর শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে তার অভিভাবকদের জানালে বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর বিষয়টি গোপনে রাজনৈতিক ভাবে মিমাংসা করার চেষ্ঠা করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলা ৯নং নবীপুর ইউপির মোঃ শ্রীপদ্দী গ্রামের জালাল আহমেদের ছেলে।
অপর দিকে একটি বিসস্তসুত্রে জানায়,অভিযুক্ত মুছাকে বাঁচাতে একটি পক্ষ শনিবার যৌন হয়রানির শিকার শিশুর পিতা-মাতার নিকট ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্ঠা করা হচ্ছে।