নুশরাত রুমু, মাইজদী :
১৭ ই নভেম্বর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ৪৯তম মৃত্যুবরণ বার্ষিকী। তাঁর স্মরণে ১৭ নভেম্বর ২০২৫ সোমবার সন্ধ্যা ৬ টায় মাইজদী জিয়া স্মৃতি পাঠাগারে দ্রোহ যাত্রার পাঠ চক্রের ব্যানারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল মওলানা ভাসানীর কৃষকের রাজনীতি, গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পথ ও পথচলা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষকের জন্য লড়াইতে উপমহাদেশে মওলানা ভাসানীর বিকল্প কেউ নেই। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মূল আলোচক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ।
তিনি তাঁর দীর্ঘ আলোচনায় বলেন, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম ভাসানীর অবদান সম্পর্কে খুব জানে ৷ ১৬ বছর ফ্যাসীবাদী সরকার ভাসানীকে একপাশে রেখে কেবল একজনকেই প্রাধান্য দিয়ে গেছে। বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছেন মওলানা ভাসানী। ওনার রাজনীতি ছিল গ্রাম নিয়ে খেতমজুর, কৃষক নিয়ে। ঢাকা কেন্দ্রীক না হয়ে তাঁর আঞ্চলিকভাবে নিজ এলাকায় থেকে উন্নয়ন করার কনসেপ্ট আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
তাঁর সাথে আলোচনায় আরও অংশ নেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী আনোয়ার হোসেন রকি, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল নেতা জসিম উদ্দিন নুর, আসাদুজ্জামান রুবেল, মাইন উদ্দিন সজিব, নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি বিশ্বাস মোঃ মেহেদী হাসান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ সাব্বির হোসেন শান্ত, সহ সভাপতি সর্দার মাহমুদুল হাসান দুর্জয়। সকলেই তাদের আলোচনার মধ্যে মওলানা ভাসানীকে অনুসরণের মাধ্যমে সমাজ ও দেশের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।