উপজেলা প্রতিনিধি, হাতিয়া :
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের মাঠে যখন নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা, দলীয় সমীকরণ আর রাজনৈতিক কৌশলের আলোচনা তখন সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার মানবিক উদ্যোগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক।
তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে টানা ৫ দিন ধরে হাতিয়ার ৬টি স্পটে আয়োজন করা হয় বৃহৎ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, যেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৬ হাজার মানুষ যা হাতিয়ার ইতিহাসে নজিরবিহীন।
৬ স্পটে চিকিৎসা নেন ৫,০০০–৬,০০০ মানুষ হরনী–চানন্দী ইউনিয়ন থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্প ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে চরকিং, তমরুদ্দি, বুড়িরচর, জাহাজমারা ও হাতিয়া পৌরসভায়। ক্যাম্পগুলোতে মোট রোগী ছিলেন হরনী–চানন্দী ৮৭৮ জন,চরকিং ৩৬৫ জন,পৌরসভা ১৭১২ জন, তমরুদ্দি ৭০০ জন,বুড়িরচর ১১৫০ জন, জাহাজমারা ১০৭৪ জন।
ঢাকা, জেলা সদর ও হাতিয়া থেকে আসা ২০ জন এমবিবিএস চিকিৎসকের সমন্বয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে চিকিৎসাসেবা। প্রেসক্রিপশনসহ সব ওষুধও বিনামূল্যে দেওয়া হয়।
হাতিয়ার বিভিন্ন বয়সী মানুষ তাদের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন “এতোদিন টাকা না থাকলে ডাক্তার দেখাতে পারতাম না। আজ বিনামূল্যে বড় ডাক্তার দেখাতে পেরেছি এ যেন আল্লাহর রহমত।”
অন্যরা বলেন, “রাজনীতিবিদরা শুধু প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু শাহ মাহফুজুল হক সরাসরি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
স্থানীয়রা মনে করেন এই উদ্যোগ হাতিয়ার রাজনীতিতে মানবিক সেবার নতুন অধ্যায়।
বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মো. রুহুল আমিন বলেন “হাতিয়ার প্রান্তিক মানুষের কাছে এই ক্যাম্প শাহ মাহফুজুল হককে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করেছে। তরুণ ভোটারদের মধ্যেও তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে।
ফ্রি মেডিকেলের বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক বলেন “হাতিয়ার মানুষ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগ নিয়েছি। মানুষের ভালোবাসাই আমাকে আরও বড় পরিসরে কাজ করার শক্তি দিয়েছে।”