নুশরাত রুমু, মাইজদী :
গণসংযোগ চলাকালে ঢাকা-৮ আসনে এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর উপর গুলি বর্ষণের প্রতিবাদে জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। পরে মাইজদী টাউন হল মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল মোতালেব আপেল, অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশ, বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, বিএনপির নেতা ভিপি জসিম, আব্দুল করিম মুক্তা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিএনপি নেতা হাফিজ, আবু হানিফ, বশির আহমেদ ও কলিমুল্লাহ প্রমুখ। এর আগে শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলির প্রতিবাদে মাইজদীতে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ছাত্র- জনতা। সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জুলাইয়ের অন্যতম শক্তি শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা একটি সুপরিকল্পিত ঘটনা।
তাকে টার্গেট করেই সন্ত্রাসীরা গুলি চালিয়েছে।” তারা হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরমান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ওসমান হাদি সম্মুখসারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানকে মন থেকে ধার করা একজন মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে গুলি করে পালিয়ে গেছে অপরাধীরা। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ—দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।” আরেক বিক্ষোভকারী মাজহারুল ইসলাম বলেন, “এই হামলার পেছনে যে পরিকল্পনাকারীরা আছে, তাদের সবাইকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।”
বিক্ষোভকারীরা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ধরনের নৃশংসতা নোয়াখালীর শান্ত পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মাত্র। দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে তারা কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।