হারুনুর রশিদ, রিপোর্টার : সদর উপজেলার ১৯ নং পূর্ব চরমটুয়ার সূর্য নারায়ণবহর গ্রামের জয়নাল আবেদীন ওরফে কলা ব্যাপারীর মেয়ে মুন্নী হত্যার তৃতীয় বছর এটি। এ পর্যন্ত মামলাটির কোন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়নি।
মামলা সূত্রে জানা যায় ২০১৪ সালে হাজিরানা মজলিসে মুন্নি আক্তারের সাথে ১৯ নং পূর্বচরমটুয়া ইউনিয়নের চর বাঞ্ছারাম গ্রামের কাদির মুন্সির ছেলে নূর মোহাম্মদের সাথে বিয়ে হয়। মুন্নির গর্ভজাত দুই সন্তান রয়েছে। মুন্নি হত্যার সময় মুন্নি তখন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।মুন্নির বিয়ের পর থেকে মামলার আসামিরা তাকে বিভিন্নভাবে জ্বালা যন্ত্রণা এবং নির্যাতন করতে থাকে। বিভিন্ন সময়ে এ সংক্রান্ত নানা সামাজিক সালিশ দরবার হয়।
২০২৩ সালের ১৯ এপ্রিল মুন্নি হত্যার সময় আসামি মুন্নিকে ২ লক্ষ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ দেয়। বিষয়টিতে মুন্নি রাজি না হলে মামলার বিবাদীগণ পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মুন্নিকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখে।
দৃশ্যটি দেখে মুন্নির দুই শিশু চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে লোকজন এসে সুধারাম মডেল থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে ঝুলন্ত মরদেহ মর্গে পাঠায়। এরপর মুন্নির পিতা বাদি হয়ে সুধারাম মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এ মামলার কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করেনি যদিও আসামি প্রকাশ্যে পুলিশের নাকের ডগায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।