নুশরাত রুমু, মাইজদী :
জেলা শহরে বৈধ যানবাহনের চেয়ে অবৈধ যানবাহন বেশি চলছে। সাথে যুক্ত হয়েছে ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশা ও তিন চাকার হুইলার। আন্তঃজেলায় চলাচলকারী অনেক বাস ও পিকআপের নেই বডি ফিটনেস, চালকদেরও নেই সঠিক লাইসেন্স। এসব অবৈধ যানবাহনের কারণে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। সবমিলিয়ে সড়কে তৈরি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। সেই সুযোগে নম্বরবিহীন গাড়ি ব্যবহার করে চুরি, ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড হচ্ছে।
এদিকে চালকরা বলছেন লাইসেন্স থাকলেও রেহাই নেই, তারা নিয়মিত উৎকোচ দিতে হয়, না হলে গাড়ি আটকে থানায় নিয়ে হয়রানি করে। পরে কিছু টাকা দিলে ছেড়ে দেয়। বিআরটিএ অনুমোদিত সিএনজি গাড়ির সংখ্যা ১৫ হাজার হলেও সড়কে চলছে ৩০ হাজারের বেশি। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সেই গাড়ি আবার টাকা দিয়ে সাময়িক অনুমতি নিয়ে চালানো হচ্ছে।
নোয়াখালীর ট্রাফিক ইনচার্জ পুলক চাকমা বলেন, অবৈধ গাড়ির সংখ্যা অনেক, নিয়মিত এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বিআরটিএ সহকারী পরিচালক উথোয়ইনু চৌধুরী বলেন, ১১০০ সিএনজির লাইসেন্স দেবার পর থেকে আপাতত আর কোনো লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে না। পরবর্তীতে আমাদের কমিটি গঠিত হলে, সেখানে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে, তখন রেজিষ্ট্রেশনের সিদ্ধান্ত হলে আমরা তা করব। সাধারণ মানুষ অবৈধ যানবাহনের কারণে এসব সমস্যা নিয়ে ভীষণ বিরক্ত ও দুর্ঘটনার ভয়ে আতঙ্কিত। তারা যানজটমুক্ত ও নিরাপদ সড়কের জন্য এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়েছে।