উপজেলা প্রতিনিধি, সদর :
সদরের নেয়াজপুর ইউনিয়নের ধর্মপুরে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থী (৯) ধর্ষণের অভিযোগে নুরুল আমিন সুজন (৩০) নামে এক বখাটেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে নেয়াজপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর (দানা মিয়ার বাজার) থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। দুই সন্তানের বাবা সুজন ওই গ্রামের বাসিন্দা। সে এলাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করে।
এর আগে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ধর্মপুর গ্রামের একটি বিদ্যালয় থেকে শিশুটি বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়।
ভুক্তভোগীর মা জানান, রোববার বিকালে স্কুল ছুটির পর শিশুটি বাড়ি না ফেরায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা ও বোন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকে বিধ্বস্ত অবস্থায় সুজনের বাড়ির থেকে বের হতে দেখেন তারা। এ সময় শিশুটির এলোমেলো চুল ও পুরো গায়ে মাটির দাগ দেখা গেলে তার মা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন ধর্ষণের বিষয়টি জানায় ভুক্তভোগী।
শিশুটির অভিযোগ, স্কুল থেকে ফেরার পথে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় সুজন। পরে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এর আগেও সুজন একাধিকবার শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টা চালায় বলেও জানান তার মা।
সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, 'ওই ছাত্রীর অভিভাবক ফোন করে বিষয়টি জানানোর পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় বখাটে সুজনকে আটক করে স্কুলে রাখা হয়। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে গেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।'
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা অভিযোগটি মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে। আমরা শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার (মেডিক্যাল টেস্ট) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ফরেনসিক রিপোর্ট এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুততম সময়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।