উপজেলা প্রতিনিধি, চাটখিল :
চাটখিল উপজেলার ০১ নং সাহাপুর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের উচু দিঘীর পাড় সংলগ্ন মো.মিজানুর রহমানের ভোগদখলীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে ভাংচুর, মালামাল লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মো. রিয়াজ হোসেন ও জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গত সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।
ভোক্তভোগী মো.মিজানুর রহমান জানায়, দীর্ঘ ১৫ বছর পূর্বে সোমপাড়া সমতা ক্লাব প্রসাদপুর গ্রামের মসজিদ বাড়ির মো. রিয়াজ হোসেনের মা ও বড় ভাই থেকে ৩৮২, ৩৮৩ ও ৩৮৪ নং দাগে মোট সাড়ে ২০.১২৫ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করে এবং ক্লাবের ২৪ জন সদস্যের নামে খতিয়ানভুক্ত করে। পরে ২০২১ সালে তিনি ক্লাবের সদস্যদের নিকট থেকে ছাপকবলামূলে ক্রয় করে চারপাশে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করেন এবং বিভিন্ন ফলজ, ওষধী গাছ লাগান। সম্প্রতি তিনি উক্ত সম্পত্তির উপর বিল্ডিং নির্মাণের জন্য বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী এনে রাখেন| গত সোমবার সকালে মো. রিয়াজ হোসেন বাউন্ডরি ওয়ালের গেইট ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে রড, পানির মটর, ইলেকট্রিক তারসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভিটির বিভিন্ন জাতের দামি ফলজ ও ওষধী গাছ কেটে ফেলে যায় এবং নিয়ে যায়। এতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে ভোক্তভোগী মিজান জানায়। ভোক্তভোগী মিজান আরো জানায়, বিগত একমাস পূর্বেও সে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে। পরে ওই ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চেয়ারম্যানকোর্টে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সে পুনরায় গত শনিবার এ ঘটনা ঘটায়।
একই এলাকার সাবেক আর্মি মো.হারুন জানায়, উক্ত সম্পত্তি মিজান সোমপাড়া সমতা ক্লাব থেকে ক্রয় করেছে। ক্লাব দীর্ঘ কয়েক বছর পূর্বে রিয়াজের মা ও বড় ভাই থেকে ক্রয় করেছে। মিজান কেনা মাত্রই রিয়াজ শুধু শুধু ঝামেলা শুরু করে দেয়। অভিযুক্ত মো. রিয়াজ হোসেন জানান, তার মা ও বড় ভাই তাদের অংশ বিক্রি করেছে। কিন্তু তার অংশ পাওনা আছে।
সাবেক চেয়ারম্যান ও সমতা ক্লাবের সভাপতি গোলাম হায়দার কাজল বলেন, সমতা ক্লাব রিয়াজের মা ও বড় ভাই থেকে ক্রয় করে দীর্ঘদিন দখলে ছিল।পরবর্তীতে ২০২১ সালে ক্লাব মিজান থেকে বিক্রি করে দেয়| সুতারাং উক্ত সম্পত্তির বিষয়ে রিয়াজের কোন যৌক্তিকতা নেই।