উপজেলা প্রতিনিধি, সদর :
সদর উপজেলার সোনাপুরে অবস্থিত সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটি দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে ভুগছে। প্রয়োজনীয় কর্মী না থাকায় মুরগির পরিচর্যা, খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, ফলে উৎপাদনও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কমে গেছে। বর্তমানে ১৪টি পদের বিপরীতে মাত্র ৪ জন কর্মরত রয়েছেন।
১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই খামারটি আগে প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হলেও এখন জনবল ও ইনকিউবেটর সংকটের কারণে শুধু রিয়ারিং ইউনিট হিসেবে চলছে। এখানে একদিন বয়সী বাচ্চা লালন-পালন করে দুই মাস পর খামারিদের কাছে বিক্রি করা হয়।
তবে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কিছু অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৫ হাজার বাচ্চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, শেড সংস্কার, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং অনলাইন বুকিং চালু করা হয়েছে।
স্থানীয় খামারিরা জানান, চাহিদা অনুযায়ী বাচ্চা সরবরাহ না পাওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দ্রুত জনবল নিয়োগ, আধুনিক হ্যাচারি স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।
খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে খামারটি আবারও পুরোপুরি সচল করা সম্ভব হবে।