মোহাম্মদ হানিফ, স্টাফ রিপোর্টার :
উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় স্বর্ণের চেইন ও ব্রেসলেট লুট করে নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের কালুয়াই গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত জাহানারা বেগম (৬৫) বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার মজিজুল হক (৫০), মো. রহমান (২৬), মোহাম্মদ হোসেন (৬০), মরিয়ম বেগম (৪৫) ও তাজনেহার বেগম (৪০)।
অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার সকালে আম পাড়া ও জমির সীমানা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জাহানারা বেগমের বাড়ির পশ্চিম পাশের বাগানে হামলা চালায়।
এ সময় প্রধান অভিযুক্ত মজিজুল হক ধারালো দা দিয়ে জাহানারা বেগমের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে তা ঠেকান। এতে তার বাম হাতের তালু গুরুতর জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলায় জাহানারা বেগমের দুই মেয়ে সুমি আক্তার ও আছমা আক্তার, ছেলে জোবায়ের এবং পুত্রবধূ মাওয়া আক্তার আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সুমি আক্তারের গলা থেকে প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন এবং একটি স্বর্ণের ব্রেসলেট ছিনিয়ে নেয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
জাহানারা বেগম অভিযোগ করেন, “বিবাদীরা আমাদের বাড়িতে থাকতে দিচ্ছে না। বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকিও দিচ্ছে। এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।