মো. জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরী, সেনবাগ : সেনবাগে ৩৮৮ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড । শনিবার (১৬মে) রাতে ভাবে উপকার ভোগী পরিবারের সদস্যদের মাঝে অনুষ্ঠানিক বিতরণ ফ্যামিলি কার্ডগুলো তুলে দেন নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের ৬ষ্ঠ বারের মত নির্বাচিত এমপি সাবেক বিরোধীদলীয় চীফহুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক।
এ সময় সেনবাগ উপজেলা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাসরুল্লাহ আল মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন,নোয়াখালী পুলিশ সুপার টিএম মোশাররফ হোসেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জেড.এম. মিজানুর রহমান খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহসিয়া তাবাসসুুম, উপজেলা সহকারী কমিশনার নুর পেয়ারা বেগম,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী,জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাহার চেয়ারম্যান, সেনবাগ পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক ফারুক বাবুল, সদস্য সচিব শহীদ উল্লাহ, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরনবী বাচ্চু, চন্দন হোসেন রাজু,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সুলতান সালাউদ্দিন লিটন, সদস্য সচিব সাহেব উদ্দিন রাশল, জেলা যুবদল সহসভাপতি মহিন উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্চাসেবকদল আহবায়ক কামরুল হাসান তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক সামছুল হক সামু, উপজেলার ছাত্রদল আহব্য়াক মোঃ ছানা উল্লাহ সহ বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ও উপকারভোগী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে বিকেলে চাঁদপুর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদপুরসহ দেশের ২০ জেলায় একযোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পরপরই সেনবাগ উপজেলা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাসরুল্লাহ আল মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ৩৮৮জন উপকার ভোগী পরিবারের সদস্যদের মাঝে কার্ডগুলো বিতরণ করনে।
এ সময় প্রধান অতিথি বক্তব্যে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, গরীব অসহায় পরিবারকে বাঁচাই করে যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয় । যাদের হাতে স্বর্নের আংটি ও গলায় চেইন রয়েছে তাদেরকে যেন ফ্যামেলি কার্ডে অন্তভুক্ত না করা হয় সেদিকে প্রশাসনকে নজর দেওয়ার আহবান জানান।
জয়নুল আবদিন ফারুক আরে বলেন,তারেক রহমান নির্বাচনের সময় ওয়াদা করেছেন বিএনপি যদি রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় আসে তা হলে খাল খনন, ঘরে ঘরে ফ্যামেলি কার্ড, কৃষদের মাঝে কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষকের কৃষি ঋণ মওকুক ও গাছ লাগানো কর্মসুচি শুরু করবেন। তার ওয়াদা তিনি রেখেছেন। ক্ষমতায় আসার মাত্র এক মাসের মধ্যে তিনি কাজ গুলো শুরু করেছেন। পর্যাক্রমে দেশে সকল মানুষ কার্ড গুলো পাবেন।