দাগনভূঞা প্রতিনিধি : দাগনভূঞায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি) এবং “এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম” এর আওতায় “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচি” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা এডুকেশনাল এক্সেলেন্স সাপোর্ট স্কিম ইইএসএস, এসইডিপি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশের আয়োজনে ও উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বাস্তবায়নে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ প্রদর্শন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহীদুল ইসলাম।
ইউএনও মোঃ শাহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইসমাইল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিদুল আলম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুজন কান্তি শর্মা ও ইকবাল মেমোরিয়াল সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবদুর রহমান। এসসয় যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ তাফাজ্জল হোসেন, একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, আতাতুর্ক সরকারি মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান, পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএম প্রকৌশলী জুয়েল দাশসহ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উদ্ভাবনী ধারায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার পরিচালিত এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচির বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রদর্শনীতে ১০টি স্টল অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অর্জন করেন রামনগর খাজা মঈন উদ্দিন চিশতি (রাঃ) উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন দাগনভূঞা একাডেমি। শেষে বিজয়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ও শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়িত পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (পিবিজিএসআই) স্কিমের আওতায় দেশব্যাপী ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ ফর সেকেন্ডারি লেভেল স্টুডেন্টস এন্ড টিচার্স' শীর্ষক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধান দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।এই প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়।
দলগুলো উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন ও প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। স্টার্টআপ বিভাগে শিক্ষার্থীরা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নতুন ব্যবসায়িক বা সেবাধর্মী ধারণা উপস্থাপন করবে। বিজ্ঞান প্রকল্প বিভাগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির তত্ত্বভিত্তিক ব্যবহারিক মডেল প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া উদ্ভাবনী ধারণা বিভাগে দৈনন্দিন জীবন সহজ করতে বাস্তবসম্মত নতুন আইডিয়া উপস্থাপন করা হবে। সভায় অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী দক্ষতা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগকে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।