স্টাফ রিপোর্টার : লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীদের জাতীয় কনভেনশন সফল করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেল ৫টায় রাজধানীর বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক জামশেদ আনোয়ার তপন।
সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক হারুন রশীদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কমরেড মাসুম রানা, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশারেফা মিশু, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়জুল হাকিম লালা, গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমরেড নাসির উদ্দিন নাসু, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর রশীদ এবং ইউপিডিএফ নেতা অমল ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের উদ্যোগ ও ভূমিকার প্রশংসা করে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীদের জাতীয় কনভেনশনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলায় গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
এ সময় গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মফিজুর রহমান লালটু, জাকির হোসেন, বিমল কান্তি দাস, কবি রঘু অভিজিৎ রায়, রঞ্জন দাস শিবু, ইকবালুল হক খান, হাবিবুল আলম ও কামারুজ্জামান ভূঁইয়া।
সভায় জানানো হয়, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীদের জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে দেশের বিভিন্ন জেলায় গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের উদ্যোগে কর্মীসভা আয়োজন করা হবে।
জাতীয় কনভেনশনে দেশের সব জেলা থেকে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে দেশে একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বিকল্প ধারা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল সংস্কৃতির আগ্রাসন মোকাবিলা করে গণমানুষের সংস্কৃতি এবং মানবমুক্তির পরিপূরক সাংস্কৃতিক ধারা নির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।