উপজেলা সংবাদদাতা, কোম্পানীগঞ্জ : কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকার প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এবং নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে বসুরহাট নির্ঝর কনভেনশন হলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম শিকদার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আফতাব আহমেদ বাচ্চু, সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. কামাল উদ্দিন, বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহছান উল্যাহ শিপন ও রহমত উল্যাহ ফারুকী।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফজলুল কবির ফয়সাল, সদস্য সচিব জাহিদুর রহমান রাজন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান টিপু, বসুরহাট পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক ওবায়দুল হক রাফেল ও সদস্য সচিব কাউন্সিলর মাজহারুল হক তৌহিদ।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন হায়দার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতোয়ার হোসেন পাভেল, বসুরহাট পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির ও সদস্য সচিব নুর উদ্দিন ফাহাদ।
এ ছাড়া ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নুর উদ্দিন রুবেল, বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন সাইফুল, সদস্য সচিব মেহেদী হাসানসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঢাকায় অবস্থান করার কারণে বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মতিন লিটন এবং মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার কারণে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি। তবে তারা মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় মুছাপুর রেগুলেটর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ওই এলাকায় নদীভাঙন ও পানি নিষ্কাশন নিয়ে ব্যাপক সমস্যা তৈরি হয়। নতুন প্রকল্পের আওতায় মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।