সাইফুল ইসলাম নিশাত, কবিরহাট :: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে কবিরহাট সরকারি কলেজে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ১,৫৭২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র ২৭৮ জন।
জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন,পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৭.৬৮ শতাংশ।
অন্য দিকে কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইসমাইল ডিগ্রী কলেজে এ বছর মোট ২২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র ৫৫ জন।
জিপিএ পাঁচ পায় নি একজন ও,পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৪.১২ শতাংশ।
আব্দুল্লাহ মিয়ারহাট কলেজে এ বছর মোট ৭০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র ২ জন।
জিপিএ পাঁচ পায় নি একজন ও,পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ২.৮৬ শতাংশ।
কবিরহাট ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় এ বছর মোট ৩১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২০ জন।
জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ জন,পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৪.৫২ শতাংশ।
ছনখোলা আলামিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় এ বছর মোট ২৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২২ জন।
জিপিএ পাঁচ পায় নি একজন ও,পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৫.৮৬ শতাংশ।
চাপরাশিরহাট এ রব ফাযিল মাদরাসায় এ বছর মোট ৫৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৪৫ জন।
জিপিএ পাঁচ পায়নি একজনও, পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.২৭ শতাংশ।
৩১ অক্টোবর শনিবার প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ চিত্র দেখা যায়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মতো ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন লণ্ডভণ্ড ফলাফলে হতাশ শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সুশীল সমাজ।
ফলাফলের বিষয়ে একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকারি কলেজ হওয়ার পরও শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ও নিয়মিত পাঠদানের তদারকির অভাবেই আজকের এই বিপর্যয়।
শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত উপস্থিত না থাকা এবং নির্বাচনী পরীক্ষায় কঠোরতা না আনাই এই ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।
এদিকে এমন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফলে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।