সাইফুল ইসলাম নিশাত, কবিরহাট :: জেলার কবিরহাট উপজেলার অধিবাসীদের জন্য পাইপলাইনের মাধ্যমে আবাসিক বা বাণিজ্যিক গ্যাস সংযোগ প্রাপ্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রত্যাশা রয়েছে।
পার্শ্ববর্তী সেনবাগ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন নতুন কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদিত হলেও কবিরহাটবাসী ঠিক কবে বাসাবাড়িতে গ্যাস পাবেন, তা নিয়ে সরকারি পর্যায়ে সাম্প্রতিক কোনো চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি।
জেলার প্রধান পাইপলাইন নেটওয়ার্ক মাইজদী পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও কবিরহাটে স্থানীয় নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ না হওয়ায় বছরের পর বছর সিলিন্ডার গ্যাসের ওপর নির্ভর করে থাকতে হচ্ছে এখানকার বাসিন্দাদের।
সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ও বাপেক্সের একাধিক উদ্যোগে সেনবাগ উপজেলার 'সুন্দলপুর-৪' কূপে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা দেখা দিয়েছে। এছাড়া কোম্পানীগঞ্জের 'সুন্দলপুর সাউথ-১' কূপে নতুন করে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
তবে এসব গ্যাস সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কবিরহাটের মতো এলাকায় নতুন আবাসিক সংযোগ প্রদানের ব্যাপারে পেট্রোবাংলা কিংবা স্থানীয় গ্যাস কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা এখনও মিলেনি।
কবিরহাটবাসীর দাবি পার্শ্ববর্তী উপজেলার গ্যাস জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হয় আমরা পায় না, সরকারের কাছে আমাদের আবেদন অতিদ্রুত যেন গ্যাস সংযোগ কবিরহাটে দেয়া হয়।
কবিরহাটে রয়েছে গুরুত্বপুর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল সহ নানা প্রতিষ্ঠান।
এবিষয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন পার্শ্ববর্তী উপজেলায় নতুন করে গ্যাসের কুপের সন্ধান পেয়েছে,আমরা আমাদের এমপি মহদয়ের সাথে আলোচনা করবো যাতে করে কবিরহাটে দ্রুত গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়।
অন্য দিকে পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বেঁচে থাকলে এতদিনে কবিরহাটে গ্যাস সংযোগ হয়ে যেত, আমাদের উপজেলা বিএনপির নেতাদের সাথে কয়েকবার বৈঠক ও হয়েছে।
কিন্তু একটি মহল এটার বিরোধিতা করে আজও আমরা গ্যাস সংযোগ পায় নি,তবে আমরা আবারো এমপি মহদয়ের সাথে কথা বলবো যেন অতিদ্রুত কবিরহাটে গ্যাস সংযোগ দিতে পারে।