নিজস্ব প্রতিবেদক : মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার ধারাবাহিক আলোচনার আজকের বিষয় ছিল মুক্তিযুদ্ধের সুফল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ।
বিষয়ে আলোচনা করেন, লিটন চন্দ্র ভুমিক- সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ- নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। আলোচনায় মূখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন, অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ মিঞা সাবেক সভাপতি- নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজুল করিম বাচ্চু- সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ- ২০২৩, নোয়াখালী।
আলোচনা সভায় দর্শক বেধিতে সকলের সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ-২০২৩ এর সম্মানিত সভাপতি এবং নোয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু।
সভায় আলোচক বৃন্দ ১৯৬৯ সালের নির্বাচন থেকে শুরু করে, ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ঐতিহাসিক ঘটনা বহুল আলোচনা করেন এবং ১৯৭৫ সালের নির্মম ভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সপরিবারে হত্যা। তারপর মেজর জিয়ার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা, সেনা সদস্য হত্যা করেও খন্দকার মোশতাক মির্জাপরের দল জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করে।
শুধু তাই নয়, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে মেজর জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে এবং তাদের গাড়িতে বাংলাদেশের পবিত্র পতাকা তুলে দিয়ে বিশ্বের কাছে আমাদের কলঙ্কিত করে।
তারপর একুশ বছরের ক্ষমতা থেকে জনগণের কোন উন্নয়ন তারা করে নাই, তবে তারা বাংলাদেশের মানুষের টাকা বিদেশে পাচার করে। দেশটাকে তারা তাদের সম্পত্তির মত করে লুটপাট ধর্ষণ হত্যা জবরদখল চালায়।
এরশাদ সরকার ক্ষমতায় এসেও ঐ অপশক্তিকে কিছুই করে নাই। ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর শুরু হয় বাংলাদেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধির এক অনন্য ইতিহাস। যা দেখে এন্ট্রি আওয়ামী লীগের অশান্তি শুরু হয়, বোমাবাজি সন্ত্রাস নৈরাজ্য সৃষ্টি করে। ৪ দলিয় ঐক্য জোট করে পুনরায় বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। তারপর এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন জন্য জনগন আপন ইচ্ছায় রাজপথে নামে এবং জনগণ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে। তারপর থেকে শুরু হয় বাংলাদেশের সার্বাক উন্নয়ন সমৃদ্ধি এবং আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ।
এই সবকিছুর পরিপূর্ণ অবদান বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের। পদ্মাসেতু, প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ, মেট্রোরেল, কর্নফুলী ট্যানেল সহ দুই-লেন কে চার লেন, স্কুল কলেজ, মডেল মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, ইত্যাদি উন্নয়নের বিষয় বিস্তর আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এর সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বঙ্গবিপ্লব।