স্টাফ রিপোর্টার : সদর উপজেলায় সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে ভ্রুক্ষেপহীন প্রশাসন ফলে স্থানীয়দের মাঝে অস্বস্তি বিরাজ করছে। খাল খননের সময় বাঁধ না কাটায় এমনটা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে নোয়াখালী ইউনিয়নের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়কের পাশে জেডমোড় সংলগ্ন করাত মিলের পাশে সরকারি খালে মাছের রেনু চাষের সাইনবোর্ড দেখা গেছে। কে বা কারা এই মাছ করেছে কেউ স্বীকার করছেনা।
স্থানীয় বাসিন্দা করিম বলেন, খাল খননের সময় অনিয়ম হয়েছে। ইচ্ছা করেই খাল খনন করে নাই। ফলে মাছ চাষ করা হচ্ছে৷ খাল খননের উদ্যেশ্য ছিল পানি প্রবাহ হওয়া। যদি পানি প্রবাহ বন্ধ করে মাছ চাষ করে তাহলে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হয়। আমরা চাই পানির অবাধ প্রবাহ।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রশনজিৎ মণ্ডল বলেন, কোথাও মাছ চাষ আবার কোথাও স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। খাল খননের ভুলের কারনে সোনাপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কে অসংখ্য ঢেউ। এতে করে যেকোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি বাস হেলে পড়েছে। যদিও দুর্ঘটনার থেকে বেচে গেছে। তবে আগামীতে যে দুর্ঘটনা ঘটবে না তার নিশ্চয়তা কি?
খাল খননের অনিয়ম হয়নি উল্লেখ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সী আমির ফয়সাল বলেন, এই সড়কটি আগে এলজিইডিতে ছিল। বর্তমানে সড়ক বিভাগে আছে। এলজিইডিতে থাকাকালীন তারা খালের মধ্যে সড়ক করায় আমরা খাল খননের সময় স্থানীয়দের জায়গা খাল খনন করেছি। যদি কোথাও অবৈধ স্থাপনা তৈরি হয় তাহলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
মাছ চাষের বিষয়টি নজরে নেই উল্লেখ করে মুন্সী আমির ফয়সাল আরও বলেন, আমাদের জানা নাই খালের মধ্যে কোনো মাছ চাষ করা হচ্ছে কিনা। যদি হয় তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তবে এলজিইডির সড়ক থাকায় আমরা খাল খনন সফল ভাবে করতে পারি নাই। তাদের কালভার্ট করে দেওয়ার কথা রয়েছে। যদি কালভার্ট নির্মাণ করে দেওয়া হয় পানির প্রবাহ হবে। মানুষ উপকৃত হবে।