স্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সালমা আক্তারের দুর্নীতির অনুসন্ধানের শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখার উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ অনুসন্ধানের কথা জানানো হয়।
অধ্যাপক সালমা আক্তারের দুর্নীতির অনুসন্ধানের চিঠিতে বলা হয়, আসন সংখ্যার অতিরিক্ত ২৩৭ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করে কমপক্ষে ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়ে কমিশন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধান শেষ করে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করতে অনুরোধ করা হয়। একইসঙ্গে অনুসন্ধানের সময় ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধকরণ বা কোনও সম্পদ ক্রোক করা হলে সেটা অনতিবিলম্বে লিখিতভাবে জানাতেও অনুরোধ করা হয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
এদিকে অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে অধ্যক্ষ অধ্যাপক সালমা আক্তার দৈনিক নোয়াখালীর কথাকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, এগুলো বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। করোনা মহামারীর সময় শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানোর জন্য নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী ডিও লেটার দিয়েছেন। তখন অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়েছে, তার মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা সব থেকে বেশি। করোনার মহামারী সময়ে একই অবস্থা অন্যান্য কলেজ গুলোরও হয়েছে। আমার কলেজের শিক্ষকদের রাজনীতির কারণে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আশা করি দুদক কোন অভিযোগের সত্যতা পাবে না। আমার বিরুদ্ধে নিউজ হয়েছে সেগুলোর সত্যতা মেলেনি।