প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ৩:২৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ২৫, ২০২৪, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
এ্যারাবিয়ান হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে হত্যার চেষ্টা

তখন হসপিটাল কর্তৃপক্ষ হিসেব করে দেখেন তাদের দু,জন পাটনার মো: হারুন (৪২) পিতা: মৃত আবু নাছের ও মো. মঞ্জুরুল মোরশেদ সাহেদ (৩৭) পিতা: মৃত নুরুল হক, হসপিটাল থেকে অনেক টাকা নিয়ে গেছে। বর্তমানে ঐ দুই পাটনার হসপিটালের কাছে অনেক টাকা ঋণী হয়ে গেছে।
এমতাবস্থায় হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম রাসেল হিসাব রক্ষক-কে বলেন, মো. হারুন এবং মো. মঞ্জরুল মোরশেদ সাহেব এই দুইজনকে আর কোন টাকা না দেন।
এমন নির্দেশনার পরদিন ২২ জুলাই মঙ্গলবার সকালে হিংসার রক্ষকের কাছে ঐ দুই পাটনার টাকা চাইলে, হিসাব রক্ষক নিষেধ করে বলেন, আপনারা হসপিটাল থেকে আপনাদের পাওনার চাইতে অনেক বেশি টাকা নিয়ে গেছেন। তাই এম.ডি স্যার বলেছেন, আপনারা দু,জন সহ হসপিটালের কাছে ঋণী থাকা এই কয়েকজন কে কোন টাকা না দিতে। এই নির্দেশনা অমান্য করে টাকা নিতে চাইলে দায়িত্বরক হিসাব রক্ষক এম.ডি কে ফোন করলে তিনি বলেন আমি বেলা ১২ টার পর আসবো।
তারপর তারা ঐ দুইজন বেলা ১টায় হসপিটালের নিচতলায় অভ্যাথনা ও হিসাব ডেক্সের সামনে দাঁড়িয়ে মিথ্যা অজুহাতে অপ্রয়োজনে হাসপাতাল থেকে টাকা দাবি করে। তখনি এম.ডি সাইফুল ইসলাম রাসেল এসে পড়ে বলেন, আপনারা যা দিয়েছেন তার তিনগুণ নিয়ে গেছেন। এখন আর আপনাদের টাকা দেওয়া যাবে না। তখন হারুন ও সাহেদের সাথে থাকা ভাড়াটে কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে রাসেল কে বলে আজ তোকে মেরেই ফেলবো, আমাদের কাটা বন্ধ করার সাহস হয় কেমনে ? যাহা হসপিটালের সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ডে প্রমান পাওয়া গেছে।
এই হামলায় সাইফুল ইসলাম রাসেলের মাথায় হারুন ও সাহেদ আঘাত করতে থাকে এক পর্যায় রক্তাক্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে গেলেও তারা মারতে থাকে। এমতাবস্থায় হাসপাতালে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে যায় পড়ে, অবস্থা বেগতিক দেখে আশপাশের লোকজন এবং হসপিটালের লোকজন রাসেলকে উদ্ধার করে সদর হসপিটালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। জরুরী বিভাগ রাসেলকে মাথায় আঘাতের জায়গায় ৭ টি সেলাই দিয়ে সরকারি হসপিটালে চিকিৎসক রাসেলকে চিকিৎসাধীন থাকার পরামর্শ দেন। এদিকে যানাগেছে এই ঘটনার থাকে আরো কয়েকজন জড়িত আছে। এই ঘটনার জেরে থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ।
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪ নোয়াখালীর কথা