উপজেলা প্রতিনিধি, বেগমগঞ্জ : অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) কার্যালয় ও উপজেলা ভূমি অফিস ও চৌমুহনী পৌর ভবনে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
রোববার বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের এসব ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) মো.নাজমুল হাসান রাজিব ও বেগমগঞ্জ উপজেলা কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম।
কয়েক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, রোববার বিকেল ৫টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থনকারীদের একটি দল অতর্কিতভাবে প্রথমে চৌরাস্তায় চৌমুহনী পৌরসভা অফিস পরে রেলগেইট মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স ও পরে বেগমগঞ্জ উপজেলা (ভূমি) কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে।
পরে তারা সেখানে অগ্নিসংযোগ করে অফিসে থাকা ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ লুট করে নিয়ে যায়। এরপর সন্ধ্যার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থনকারীদের আরেকটি দল নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) কার্যালয়ে হামলা চালায়।
এরপর তারাও সেখানে ভাংচুর করে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এর আগেই আন্দোলনকারীরা সরে যান।
সকাল থেকেই ছাত্ররা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে থাকে চৌমুহনী চৌরাস্তা।
দুপুরের দিকে হঠাৎ যুবলীগ, ছাত্রলীগ হামলা করে বিভিন্ন দিক থেকে, এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থনকারীদের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে নোয়াখালী মাইজদীতে আন্দোলনরত অনেকেই চৌরাস্তা এসে তাদেরকে জোর করে ছাত্রলীগ যুবলীগের উপর হামলা চালায় তার আগেই ছাত্রলীগ যুবলীগ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। চৌরাস্তা থেকে চৌমুহনীর দিকে মিছিল করে যাওয়ার পথে তারা এসব কর্মকাণ্ড করে থাকে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, আমি শুনেছি কার্যালয়ে আগুন দিয়ে ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ গুলো নিয়ে গেছে। পরে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।
জানতে চাইলে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) মো.নাজমুল হাসান রাজিব অগ্নিসংযোগ করার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সকাল থেকে তারা তুন দফা থানায় আক্রমণ করে। পরবর্তীতে সার্কেল অফিসে গিয়ে তারা কাগজ পত্রে অগ্নিসংযোগ করে।