• ঢাকা
  • সোমবার, ১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩

তেঁতুলিয়ায় জেঁকে বসেছে শীত, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৪ ডিগ্রি

পৌষের প্রথম দিনেই ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সারাদেশেই বেড়েছে শীতের তীব্রতা। উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আজ শনিবার জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতে জনজীবনে ভোগান্তি বেড়েছে। বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

আবহাওয়া অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যার পর থেকে ঝরতে থাকে ঘন কুয়াশা; সেই সঙ্গে উত্তরের বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়। তেঁতুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় বইতে থাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। গতকাল সকাল ৮টার পর সূর্যের কিরণে জনজীবনে কিছু স্বস্তি ফেরে।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, শনিবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সপ্তাহে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

কনকনে শীতে পঞ্চগড়ে দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। পঞ্চগড় জেলা সদরের কামাতপাড়া মহল্লার শ্রমিক আব্দুর রহমান বলেন, ভোরে ক্ষেত থেকে সবজি তুলে বাজারে নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু এ সময়ে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে।

এদিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শীতজনিত রোগী বেড়েছে। সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ মনোয়ার ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যার পর থেকে রাতে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। আবার দিনে কড়া রোদের কারণে বেশ গরম লাগে। এমন আবহাওয়ার কারণে শিশু ও বয়স্করা সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানান ধরনের শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর ফলে হাসপাতালে রোগী বেড়েছে।

তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রথম পর্যায়ে যত শীতবস্ত্র বরাদ্দ পেয়েছি, তা সাত ইউনিয়নে বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের পক্ষ থেকে আরও শীতবস্ত্র চেয়ে জেলা প্রশাসনে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া ১৮ হাজার ৬০০ কম্বল জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। আরও শীতবস্ত্র চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে।

আরও পড়ুন