প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২৬ আগস্ট, ২০২৬

মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় স্কুলছাত্র ফাহিম হত্যা: এজাহারভুক্ত আসামি মান্না গাজীপুরে গ্রেপ্তার

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার : সেনবাগে মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্র আরাফাত হোসেন ফাহিমকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. মান্নাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু

বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল রাতে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব-১১-এর সিপিসি-৩ নোয়াখালী ও র‍্যাব-১-এর সিপিসি-২ উত্তরা যৌথভাবে এ অভিযান চালায়।

র‍্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন রাতে সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবীসিংহপুর গ্রামের আমজু মিয়ার বাড়ির মসজিদের সামনে কবরস্থানের পাশে মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে গত ১০ জুন রাত আটটার দিকে একই এলাকায় ফাহিমের ওপর হামলা চালানো হয়।

র‍্যাব আরও জানান , এ সময় আসামিরা চাপাতি দিয়ে ফাহিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে তাঁর হাঁটুর ওপর গুরুতর কাটা জখম হয় এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ শিরা কেটে যায়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত ফাহিমের মা বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র‍্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে দিকে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. মান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মান্না সেনবাগ উপজেলার দেবীসিংহপুর গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে।

র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, ফাহিম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. মান্নাকে গাজীপুরের টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাঁকে সেনবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর