স্কুল মাস্টারের বিরুদ্ধে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

উপজেলা প্রতিনিধি, সদর : একজন শিক্ষক হলেন মানুষ গড়ার কারিগর, সেই কারিগরই যদি হন হামলা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাইন্ড মাস্টার। তাহলে তার কাছ থেকে ছোট্ট কোমলমতি শিশুরা শিখবে কী.? এই প্রশ্নটা রইলো সবার কাছে। বলছি জেলা সদর উপজেলার ১৯ নং পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা ও উত্তর শুল্যকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস শহীদ এর কথা। দীর্ঘদিন ধরে চলছিলো আব্দুস শহীদ ও ইসমাইলের সাথে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ। সেই বিরোধের জের ধরে হয়েছে দফায় দফায় মামলা।
ইসমাইলের পরিবার জানান, জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে, আব্দুস শহীদ ওরফে ছুফি মাস্টার আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের একটি ফাঁদ পাতেন। যাহা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। গেলো ৫ এ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ছুফি মাস্টারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দোছলা ঘরে থাকা মাহবুবুর রহমান রাসেলকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরের দরজা জানালা ভেঙ্গে ঘর থেকে বের করে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার আত্ম চিৎকারে আমরা দৌড়ে এলে ইয়াসিন আমাদেরকে লাঠিসোটা নিয়ে বাধা দেয়।
এমতাবস্থায় আমরা ৯৯৯ এ ফোন দিলে সুধারাম মডেল থানা থেকে এএসআই আব্দুল হান্নানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনাস্থলে রাসেলের অবস্থা গুরুতর দেখে পুলিশ ঝুঁকি না নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যায়। এমতাবস্থায় ছুফি মাস্টার ও তার সঙ্গীরা রাসেলকে তড়িৎ গতিতে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এদিকে ঘটনাটি অন্য দিকে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে ছুফি মাস্টার, মাহমুদুল হাসান, আব্দুল্লাহ ও ইয়াসিনের নেতৃত্বে মাস্টারের স্ত্রী, বোন ও তার পুত্র বধুকে গাছের সাথে বেঁধে, ঘরটি ভেঙে গুড়িয়ে দেয়, এবং আংশিক অগ্নিসংযোগ করে।
ঘটনাটি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে তারা রাসেলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ছুফি মাস্টার ও তার স্ত্রী, বোন ও পুত্র বধুকে ঘর থেকে বের করে নগদ ৩ লাখ বারো হাজার টাকা ও দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে একটি সাজানো নাটক তৈরি করে। যাহা নিতান্তই মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এবং এর সাথে সম্পৃক্ত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাই।
আপনার মতামত লিখুন :