প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ২৬ আগস্ট, ২০২৫

বিএনপির রাজনীতির এক অধ্যায় মাহবুবুর রহমান শামীমের সংগ্রামী পথচলা

সাব্বির ইবনে ছিদ্দিক, হাতিয়া : ২০০৯ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বিএনপি তখন সারা দেশে নানা বাধা-বিপত্তি ও দমনের মুখে পড়ে। উপজেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমেও স্থবিরতা দেখা দেয়। হাতিয়া তথা সারা বাংলাদেশে বিএনপির কর্মীরা হতাশায় দিন কাটাচ্ছিলেন।
ঠিক এমন কঠিন সময়ে রাজপথে নেতৃত্বের ভূমিকা নেন হাতিয়ার তরুণ নেতা মাহবুবুর রহমান শামীম। ব্যক্তিগত আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে তিনি নেমে আসেন রাজপথে। আন্দোলন, মিছিল কিংবা সমাবেশ—যেখানেই কর্মীদের ডাক পড়েছে, শামীম ছিলেন সবার আগে।

তার নেতৃত্বে হাতিয়ার রাজনীতি আবারও প্রাণ ফিরে পায়। দীর্ঘদিন নিস্ক্রিয় হয়ে পড়া তৃণমূল কর্মীরা তার আহ্বানে সক্রিয় হন। শামীমের কর্মতৎপরতায় বিএনপির রাজপথের আন্দোলন নতুন গতি পায়।
রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক দিক থেকেও শামীম কর্মীদের ভরসার জায়গা হয়ে ওঠেন। মামলার হয়রানি, পুলিশি নির্যাতন কিংবা প্রতিপক্ষের হামলার শিকার কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আন্তরিকভাবে। আর্থিক সহায়তা থেকে শুরু করে পরামর্শ ও সাহস—সবকিছুই তিনি দিয়েছেন নির্ভীকভাবে। এজন্য স্থানীয়ভাবে তাকে কর্মীরা ডাকতেন “ভরসার ব্যাংক”।

তবে তার জনপ্রিয়তা প্রতিপক্ষের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাকে রাজনৈতিকভাবে মাইনাস করার নানা ষড়যন্ত্র হয়। চালানো হয় গুজব ও অপপ্রচার। কিন্তু তৃণমূল কর্মীদের অকুণ্ঠ সমর্থন তাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।

রাজনীতি কেবল ক্ষমতার খেলা নয়— জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। এই ধারণা থেকেই শামীম কাজ করেছেন। তিনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও সামাজিক কাজে অংশ নিয়েছেন। এজন্য তিনি বিএনপির নেতা ছাড়াও হাতিয়ার সাধারণ মানুষের কাছে আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিকূল সময়ে দলের হাল ধরা, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং সংগ্রামী মানসিকতার কারণে মাহবুবুর রহমান শামীম হাতিয়া তথা সারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই পথচলা আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর