
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, সরকার এক বছরেও সংস্কারমূলক কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। নির্বাচন সঠিক করতে না পারলে দেশ অন্ধকারে তলিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আর ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অনিশ্চিত হলে অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যতও অনিশ্চিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
এছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার যেকোনো তৎপরতা মানুষ মেনে নেবে না। মঙ্গলবার রাজধানীতে এক আলোচনায় তারা এমন মন্তব্য করেন। আরো জানাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে গণতন্ত্র মঞ্চ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং করণীয় শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করে।
এই আলোচনায় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, বাংলাদেশে কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে, বাংলাদেশের সংসদের কাঠামো কী হবে, বাংলাদেশের ক্ষমতার বিন্যাস কাঠামো কী হবে। সেটা জনগণের অনুমোদন নেওয়া দরকার। যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নোট অব ডিসেন্ট আছে সেটা নিয়েও জনগণের কাছে যাওয়া দরকার।
দেশ এক ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, যারা পিআরসহ নানা দাবি তুলে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছেন, পরোক্ষভাবে তারা দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।
সব সংস্কারের আগে পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজন ছিল বলে মন্তব্য করে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, কোনো এলাকায় পুলিশ কারও কথা শোনে না। সাদাপাথর চলে যায়, বালু চলে যায়। সরকার ঠেকাতে পারে না। নির্বাচনের দিন নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন সেই অবস্থা দেখা যাচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :