প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কোষাগারে ২৮ হাজার কোটি টাকা

শুধু মৃত্যু আর করই জীবনের একমাত্র সত্য নয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) ক্রমবর্ধমান ধনসম্পদও এই তালিকার অংশ- জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ লিখেছে এই কথা। আর এটি লেখার কারণ, পাঁঁচ বছরে বিসিসিআইয়ের অবিশ্বাস্য পরিমাণের আয়।

ভার‍তের প্রাদেশিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনগুলোতে পাঠানো আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১২ মাস আগে নগদ অর্থ ও ব্যাংক হিসাব মিলিয়ে বিসিসিআইয়ের কোষাগারে ছিল ২০ হাজার ৬৮৬ কোটি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি)। গত এক বছরে যা আরও বেড়েছে।

সবারই জানা, ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডই সবচেয়ে ধনী। কিন্তু তাদের ধনসম্পদের ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ক জানা যায় না। তবে ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গত বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশকৃত অর্থ বিবরণী।

যেখানে বলা হয়েছে, গত বছর বিসিসিআইয়ের অর্থ সম্পদের পরিমাণ ২০ হাজার ৬৮৬ কোটি রুপি। গত ১২ মাসে এটি নিশ্চিতভাবেই আরও বেড়েছে। যা কিনা জানা যাবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) পর। এর বাইরে কয়েক হাজার কোটি রুপি আয়কর দেওয়ার জন্যও আলাদা রেখেছে তারা।

২০২৪ সালের এজিএমে বিসিসিআই সেক্রেটারি জানিয়েছেন যে, ২০১৯ সালে তাদের ব্যাংক-ব্যালেন্স ছিল ৬০৫৯ কোটি রুপি। সেটিও কিনা বিভিন্ন প্রাদেশিক অ্যাসোসিয়েশনকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার আগে। আর ২০২৪ সালে সেই অর্থ বিতরণ করে দেওয়ার পর এই অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৮৬ কোটি রুপি।

অর্থাৎ ২০১৯ সালের পর পাঁচ বছরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ধনসম্পদ বেড়েছে ১৪ হাজার ৬২৭ কোটি। এছাড়া ২০২৩ সাল থেকে ২০২৪ সালে তাদের ব্যাংক-ব্যালেন্স বেড়েছে ৪ হাজার ১৯৩ কোটি রুপি। সাধারণ তহবিলের পরিমাণ ৩ হাজার ৯০৬ কোটি রুপি থেকে ৪ হাজার ৮২ কোটি রুপি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৮৮ কোটি রুপিতে।

এজিএমের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের আয়কর বাবর ৩ হাজার ১৫০ কোটি রুপি আলাদা করে রেখেছে বিসিসিআই। যদিও বিষয়টি এখন কোর্টে আইনি প্রক্রিয়াধীন, তবু প্রয়োজন পড়লে যেন দিতে দেওয়া যায়, তাই আগেই সংরক্ষণ করে রেখেছে তারা।

তবে ২০২৪ সালে মিডিয়া রাইটস থেকে আয় কমেছে ভারতের। ২০২৩ সালে তারা ২ হাজার ৫২৪ কোটি ৮০ লাখ রুপি আয় করেছিল তারা। কিন্তু পরের বছর সেটি কমে নেমে গেছে ৮১৩ কোটি ১৪ লাখ রুপিতে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ঘরের মাঠে কম ম্যাচ খেলায় মিডিয়া রাইটস থেকে আয় কমেছে।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর