
আবু ছায়েদ শাকিল, কোম্পানীগঞ্জ : কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছাওয়ার বুলবুলের বাড়ীতে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগি গোলাম ছাওয়ার ও তার স্ত্রী ফেরদৌস আরা পর পর দু’বার হামলা ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও তেমন কোনো প্রতিকার পাননি বলেও অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বক্স আলী ভুঁঞা বাড়ীর পৌরসভা প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছাওয়ার বুলবুলের গ্রামের বসত বাড়ীতে এ হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগির পরিবারের অভিযোগে জানা গেছে, পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছাওয়ার বুলবুল তার মালিকীয় ও ভোগ দখলীয় বসত বাড়ীতে বসবাস করে আসছেন। তার আপন বড় ভাই মৃত ফারুকের ছেলে শরীফ ভুঁঞা লোভের বশবর্তী ও অসৎ উদ্দেশ্যে তার বসত বাড়ীর মালিকীয় ভোগ দখলীয় ভূমি জবর দখল করার জন্য বহিরাগতদের নিয়ে একাধিকবার হামলা ভাংচুর করে কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এসব বিষয়ে চাচা বুলবুল ভাতিজা শরীফের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ও নিরাপত্তাহীন হয়ে গত ২২ জুন এবং পুনরায় হামলা ও দেয়াল ভাংচুর করে জবর দখল করলে গত ২১ আগস্ট তার স্ত্রী ফেরদৌস আরা বাদী হয়ে শরীফ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জবর দখল ও ভাংচুর করা স্থানে শরীফের স্থাপনা নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ভুক্তভোগী বুলবুলের ভাতিজা শরীফ তা অমান্য করে বহিরাগত দলবল নিয়ে পুনরায় নির্মান কাজ চালায়। পুলিশ শরীফকে থানায় বৈঠকে বসার জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করলেও ওই তারিখে শরীফ ও তোর লোকজন উপস্থিত হয়নি। উপরন্তু ৫লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হামলা ভাংচুর অব্যাহত রেখেছে শরীফ ও তার লোকজন। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছাওয়ার বুলবুল ও তার পরিবার।
এছাড়াও অভিযুক্ত শরীফ সামাজিক যোগাযোগ ও অন্যান্য মাধ্যমে চাচা গোলাম ছারওয়ার বুলবুলের বিরুদ্ধে নানা অসৌজন্য মূলক, অশালীন মিথ্যা প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে।
এবিষয়ে জানার জন্য অভিযুক্ত মো. শরীফ ভূঞা তার বিরুদ্ধে আনীত তার চাচার সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিতর্কিত ওই বসতবাড়ীর জায়গা তার নিজ পৈত্রিক সম্পত্তি বলে দাবি করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, বার বার বলার পরও শরীফ পুলিশের নির্দেশনা পালন করেনি, বৈঠকেও বসেনি।
আপনার মতামত লিখুন :