প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ৯ নভেম্বর, ২০২৫

দাগনভূঞায় আমন ধানের নমুনা শস্য কর্তন

উপজেলা প্রতিনিধি, দাগনভূঞা : দাগনভূঞা উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে কৃষকের জমিতে রোপা আমন ধানের নমুনা সংগ্রহে আনুষ্ঠানিক শস্য কর্তন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর এলাকার কৃষক মাঈন উদ্দিনের ব্রিধান ৯০ (সুগন্ধী) জাতের ধানের জমিতে কর্তন করে ফলন পরিমাপ করা হয়। একই দিন  উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম রাম চন্দ্রপুর এলকার কৃষক রফিকুল ইসলামের ব্রিধান ১৭ জাতের ধানের জমিতে কর্তন করে ফলন পরিমাপ করা হয়।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অত্র উপজেলায় রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে ৮ হাজার ৫২২ হেক্টর। ৮ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকদের মাঠে শস্যের সঠিক ফলন ও মোট উৎপাদন নির্ধারণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই কার্যক্রমটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বাস্তব প্রয়োগ, যা জাতীয় উৎপাদন পরিসংখ্যান এবং কৃষি নীতিনির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

উক্ত শস্য কর্তন অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা লুৎফুল হায়দার ভূঁইয়া, সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাবানা ছিদ্দিকা, দেলোয়ার হোসেন ও মোঃ মোবারক হোসেনসহ ফসল উৎপাদনকারী কৃষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নমুনা শস্য কর্তন পদ্ধতির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ফসল উৎপাদনের গড় ফলন।

সাধারণত একটি নির্ধারিত মাপের প্লট থেকে ধান কেটে তা পরিমাপের মাধ্যমে হিসাব করা হয় প্রতি হেক্টরে সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণ । এই তথ্যগুলো জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক ব্যবহৃত হয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই করা হয়। তারা মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ, ফলন নির্ধারণ পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ এবং কৃষকের মতামতও গ্রহণ করে থাকেন। এই ধরনের নমুনা শস্য কর্তন কার্যক্রম দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা গ্রহণের ফলে সরকার কৃষকদের জন্য সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা সামগ্রিকভাবে কৃষির টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর