
উপজেলা প্রতিনিধি, সদর :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নোয়াখালী-৪( সদর – সূবর্ণচর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৭ জন।
আবদুজ জাহের – গণ অধিকার, ফিরোজ আলম মাসুদ- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বিটুল চন্দ্র তালুকদার – বাসদ( মার্কসবাদী), ইউনুস নবী – ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, মো. শরিফুল ইসলাম – জাতীয় পার্টি, মো. ইসহাক খন্দকার – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, মো. শাহজাহান – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীদের প্রদত্ত ব্যক্তিগত তথ্যে দেখা যায় এই আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. শাহজাহান ব্যতীত ৬ জন সবাই নতুন প্রার্থী। তবে এদের মধ্যে আবদুজ জাহের ও ইউনুস নবীর ব্যক্তিগত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বার্ষিক আয় :
ফিরোজ আলম এর বার্ষিক আয় ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বিটুল তালুকদার এর ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা।
মো. শরিফুল ইসলাম এর ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মো. ইসহাক খন্দকার এর ৮ লাখ ৭৮ হাজার টাকা এবং মো. শাহজাহান এর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৩২ হাজার ৮২২ টাকা।
ফিরোজ আলম মাসুদ, মো. ইসহাক খন্দকার, মো. শাহজাহান এই তিনজনই সম্পদের হিসাবের তথ্য মতে কোটিপতি।
বিটুল চন্দ্র তালুকদার ছাড়া বাকিরা ব্যবসায়ী।
ফিরোজ আলম মাসুদ এর ব্যাংক ঋণ আছে ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫৫২ টাকা, শরিফুল ইসলাম এর ব্যাংক ঋণ ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি :
বিটুল চন্দ্র তালুকদার এর সম্পদ দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ১৫ হাজার ৩শত টাকা।
ফিরোজ আলম মাসুদ এর ১ কোটি ২৯ লাখ ৯১ হাজার ৫ শত টাকা।
মো. শরিফুল ইসলাম এর ব্যবসায়িক মূলধন আকারে সম্পদ প্রায় ১৩ লাখ টাকা।
মো. ইসহাক খন্দকার এর সম্পদ ৪ কোটি ৪৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা তবে আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদ ১ কোটি ৫১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ আছে ৮২ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ টাকা।
মো. শাহজাহান এর সম্পদ আয়কর রিটার্ন হিসাবে ২ কোটি ৩৯ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৩ টাকা। স্ত্রীর ১ কোটি ৮১ লাখ ৬২ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদ ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। স্ত্রীর ১ কোটি ৯২ লাখ ৫৮ হাজার ৭৪২ টাকা।
মামলা :
মো. শরিফুল ইসলাম এর নামে ১ টি মামলা চলমান।
মো. ইসহাক খন্দকার এর নামে ১১ টি মামলা ছিল। ৬ টি খালাস, ৩ টি প্রত্যাহার, ২ টি অমীমাংসিত।
মো. শাহজাহান এর নামে ১৩ টি মামলা ছিল। ৬ টি খালাস, ৪ টি প্রত্যাহার, ১ টি অব্যাহতি। ২ টি মামলা স্থগিত আছে।
বাকিদের মামলা বিষয়ক তথ্য পাওয়া যায়নি।
আয়কর :
ফিরোজ আলম মাসুদ সবশেষ আয়কর দিয়েছেন ৩ হাজার টাকা।
মো. ইসহাক খন্দকার ৮৬ হাজার ২৪২ টাকা।
মো. শাহজাহান আয়কর দিয়েছেন ৪ হাজার ৯২৩ টাকা।
স্বর্ণালংকার :
ফিরোজ আলম মাসুদ – ৩ লাখ টাকা গহনা( ভরি উল্লেখ নেই)।
মো. শরিফুল ইসলাম ২০ ভরি
মো. ইসহাক খন্দকার ২০ ভরি
মো. শাহজাহান ৩৬ ভরি মূল্য লেখা আছে: ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।
আপনার মতামত লিখুন :