
নুশরাত রুমু, সিনিয়র প্রতিবেদক : নোয়াখালী পৌরসভায় এখনও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট কাটেনি। পর্যাপ্ত ট্রাকের অভাব ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় শহরের বিভিন্ন স্থানে ময়লার স্তূপ জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, নোয়াখালী সার্কিট হাউস-ল’ইয়ার্স কলোনি সড়কের পশ্চিম পাশে খোলা জায়গায় বর্জ্যের স্তূপ জমে উপচে পড়েছে। সেখানে কোনো স্থায়ী ডাস্টবিন নেই। ময়লার স্তূপে কয়েকটি গরুকে খাবার খুঁজতে দেখা যায়। দুর্গন্ধে পথচারীদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল ৪ টায় ঘটনাস্থলে গিয়ে নোয়াখালী পৌরসভার একটি ময়লাবাহী গাড়িকে সেখানে বর্জ্য ফেলতে দেখা যায়। গাড়িচালক জানান, লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকা থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য আপাতত সেখানে রাখা হচ্ছে। পরে বড় ট্রাকে করে সেগুলো চূড়ান্ত ডাম্পিং স্থানে নেওয়া হবে।
এ সড়ক দিয়ে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ, নোয়াখালী সরকারি কলেজ, জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পুলিশ কেজি স্কুল এবং প্রভাতী শিশু কাননসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন যাতায়াত করে। দুর্গন্ধের কারণে তাদের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এবং সোনাপুর-চৌমুহনী আঞ্চলিক মহাসড়কের শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম-সংলগ্ন ড্রেনের পাশেও, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমে রয়েছে।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, শহরে ৯৩টি ডাস্টবিন রয়েছে এবং প্রতিদিন প্রায় ৫৫ টন বর্জ্য সংগ্রহ হয়।
নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল আহম্মেদ খান বলেন, অনেক বাসিন্দা নির্ধারিত ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলে যেখানে-সেখানে ফেলছেন। এতে বর্জ্য অপসারণকার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্জ্য অপসারণে ব্যবহৃত সাতটি ট্রাকের মধ্যে দুটি বর্তমানে অকেজো। সেগুলো মেরামতের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচটি ট্রাক দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
আপনার মতামত লিখুন :