প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪

নেয়াজপুরে ব্রীজ নির্মাণে জনদুর্ভোগ চরমে

উপজেলা প্রতিনিধি, সদর : সদর উপজেলার কাদির হানিফ ও নেয়াজপুর ইউনিয়নের বর্ডারে পুরোন ব্রীজ ভাঙা ও নতুন ব্রীজ নির্মান কাজে বহুরূপী অনিয়ম প্রসঙ্গে।

সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়ন ও কাদির হানিফ ইউনিয়নের সীমানায় নবনির্মিতব্য দেবীপুর গ্রাম পিরিঙ্গির ব্রীজে কাজে জন সাধারণের বাধা। দেবীপুর পিরিঙ্গির (হেরাঙ্গির খেবা) ব্রীজ ভাঙার আগে এলাকাসীর দাবি ছিলো, নির্মান কাজ চলাকালীন সময়ে চলাচলের জন্য যেই স্টিল ব্রীজ নির্মান করা হয়েছে, সেই ব্রীজের সাথে দুই পাশের সংযোগ সড়ক নির্মান করার জন্য। কিন্তু ঠিকাদার স্টিল ব্রিজের সাথে যথাযোগ্য রাস্তা না করে কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে, সাময়িক চলাচলের রাস্তা করে নাই। যার কারণে বর্তমানে প্রতিদিন এই রাস্তায় দুই/একটা মারামারির ঘটনা ঘটে এবং দুইটি মারামারির ঘটনায় কয়েকজন আহত হন, এই ঘটনায় দুইটি মামলা হয়। এই ছাড়াও সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়ন ও কবিরহাট উপজেলার মানুষের চলাচলের রাস্তা এই পুরাতন হসপিটাল রোড সড়ক। স্টিল ব্রীজের সাথে যথাযোগ্য রাস্তা না করায়, বর্তমানে নেয়াজপুর ইউনিয়ন ও কবিরহাট উপজেলায় এম্বুলেন্স, পুলিশ ভ্যান ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী আসা যাওয়া করতে পারে না।

এই শীতকালের পর যখন বর্ষা মৌসুম আসবে এই এলাকার সাথে শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এর চাইতেও ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, চলাচলের রাস্তা নির্মান না করে সাময়িক নির্মিত ব্রীজ থেকে পুরোন ব্রীজের দুই পাশের সংযোগ রাস্তা তৈরি করে দেয় নাই। ফলে নির্মিতব্য ব্রীজের দুই পাশ যথাযথ ভাবে সমান করলে চলাচলের রাস্তার পশ্চিম পাশ থাকবে না, এই কারণে ঠিকাদার পুনরায় বহিরাগত সন্ত্রাসী ও পরবর্তীতে পুলিশ ডেকে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে এলাকার জনসাধারণকে হয়রানি করে চলেছে। এই ঠিকাদারের সাথে অত্র এলাকার কয়েকজন বখাটে বাটপার এবং দুই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিলে এলাকাবাসিকে বিভিন্নরকম হুমকি ধমকি দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নবনির্মিতব্য ব্রীজের পশ্চিম পাশে থেকে ৩ মিটার কমিয়ে, পূর্ব পাশে ৪ মিটার নিয়ে বাড়ানো হয়েছে, এটি নাকি ঢাকা সেতু মন্ত্রণালয় থেকে একদল ইঞ্জিনিয়ার এসে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা এই বিষয়ের কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেন নাই।

ব্রীজের পশ্চিম পাশ থেকে পূর্ব পাশে ৩ মিটার নিয়ে আসার কারণে ব্রীজের পূর্ব পাশের ডানে ও বামে যেই দুইটি রাস্তা ছিল, সেই দুইটি রাস্তাই এখন বন্ধ। এদিকে ব্রীজ ভাঙা থেকে এখন পর্যন্ত স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা অন্যদের ক্ষয়ক্ষতির কোন ক্ষতি পূরণ দেয় নাই। কেউ এই বিষয় গুলো নিয়ে কথা বললে বিএনপি জামায়াত অথবা চাঁদাবাজ বলে পুলিশ ডেকে হয়রানি করছে।

শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন কাজে জনগণকে এমন অসহনীয় পর্যায়ে কষ্ট দিয়ে সরকার ও প্রশাসনের সম্মান খুন্যকারি ঠিকাদার ও ঐ সকল বখাটে এবং নেয়াজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি। নবনির্মিতব্য ব্রীজ লম্বা ও প্রস্ত যতটুকু হওয়ার কথা ততটুকু করে, কাজের সঠিক মান নিশ্চিত রেখে একটি উন্নত ও ২০০ শত বছরে যেন কোন সমস্যা না হয় ঐ মানের ব্রীজ নির্মানের দাবি জানাচ্ছি।

এলাকাসীর দাবি সাময়িক চলাচলের স্টিল ব্রীজের সাথে যথাযোগ্য নিয়ম অনুযায়ী দুই পাশে সংযোগ সড়কের ব্যবস্থ করা, নির্মিতব্য ব্রীজের পশ্চিম পাড়ের দিকে যতটুকু হওয়ার ততটুকু নিয়ে, পূর্ব পাড়ের দুইদিকে দু,টি রাস্তার মুখ বের করা এবং এই কাজে ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি করছে।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর