প্রকাশিত: ২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২ অক্টোবর, ২০২৬

সন্ত্রাসীদের পক্ষে তদবির করলে নেতাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা: জয়নুল আবদিন ফারুক

উপজেলা সংবাদদাতা, সেনবাগ : নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবদিন ফারুক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের পক্ষে তদবিরকারী নেতাদের নাম সংগ্রহ করে জেলা ও কেন্দ্রে পাঠানো হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) ৩ টা ১৫ মিনিটের সময় নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, “অত্যন্ত পরিতাপ বিষয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষী নেতৃত্ব ও বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ১৬ বছরের সকল যন্ত্রণা সহ্য করে যে ব্যক্তিটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন বিগত সাত মাসে দেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পন্থায় পরিচালিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন দেশের মানুষকে সেবা দেবার চেষ্টা করছেন।”

তিনি আরও বলেন, “তখনই আমাদের বিশেষ করে আমার এলাকার কিছু কিছু লোক কিছু কিছু নেতা যখন আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত ও সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত লোকদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে ও আইনের আওতায় আনা হচ্ছে তখনই শুরু করেন এদেরকে মুক্ত করার জন্য তদবির।”

এমপি ফারুক বলেন, “আমি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাবো আইন নিজস্ব গতিতে চলবে এবং পুলিশ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আমি অনুরোধ জানাবো কেউ যেন এই সকল সন্ত্রাসীদের পক্ষে তদবির না করেন। তদবির কারক এই সকল নেতাদেরকে নাম সংগ্রহ করে জেলা এবং কেন্দ্রে পাঠানো হবে এবং দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সবশেষে তিনি বলেন, “আসুন সবাই মিলে সরকারকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সহায়তা করি।”

জয়নুল আবদিন ফারুকে বক্তব্য হুবহু নিছে তুলে ধরা হল।

অত্যন্ত পরিতাপ বিষয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষী নেতৃত্ব ও বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ১৬ বছরের সকল যন্ত্রণা সহ্য করে যে ব্যক্তিটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন বিগত সাত মাসে দেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পন্থায় পরিচালিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন দেশের মানুষকে সেবা দেবার চেষ্টা করছেন তখনই আমাদের বিশেষ করে আমার এলাকার কিছু কিছু লোক কিছু কিছু নেতা যখন আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত ও সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত লোকদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে ও আইনের আওতায় আনা হচ্ছে তখনই শুরু করেন এদেরকে মুক্ত করার জন্য তদবির। আমি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাবো আইন নিজস্ব গতিতে চলবে এবং পুলিশ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আমি অনুরোধ জানাবো কেউ যেন এই সকল সন্ত্রাসীদের পক্ষে তদবির না করেন। তদবির কারক এই সকল নেতাদেরকে নাম সংগ্রহ করে জেলা এবং কেন্দ্রে পাঠানো হবে এবং দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আসুন সবাই মিলে সরকারকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সহায়তা করি।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর