• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

নোবিপ্রবিতে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণ সভা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) অংশীজনের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্টেকহোল্ডারগণের সমন্বয়ে অবহিতকরণ সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ নোবিপ্রবির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম। নোবিপ্রবির বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে আইকিউএসি’র সেমিনার কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নোবিপ্রবি আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর এবং রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মুহাইমিনুল ইসলাম সেলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ কাওসার মিয়া। অনুষ্ঠানে মূল আলোচক হিসেবে ছিলেন নোবিপ্রবি আইকিউএসি’র পরিচালক ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অভিযোগ প্রতিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ করা এবং এর প্রতিকারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত। প্রথমত, নিজের অবস্থানে নিজে ঠিক আছি কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, যে বিষয়ে অভিযোগ এসেছে তা কতটুকু সত্য তা যাচাই করা এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া এবং তৃতীয়ত, অভিযোগপত্রে অভিযোগকারী নিজের নাম-পরিচয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। নাম না দিয়ে কোন অভিযোগ করলে তা উড়ো চিঠি হিসেবে গণ্য হবে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা মনোযোগ সহকারে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন। আপনারা এই সেমিনার থেকে প্রাপ্ত তথ্য অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন। মূলত যার অভিযোগ যত বেশী তার চাহিদাও তত বেশী। সততা ও নৈতিকতা মেনে চললে আর কোন অভিযোগের প্রয়োজন হবেনা। আজকের অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা করছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সেমিনারে অংশগ্রহণকারী সকলকে শুভেচ্ছা জানান নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী। এ সময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যার যার কাজ সবাই যদি সঠিক সময়ে পালন করে তাহলে অভিযোগ দেওয়ার মতো কোন পরিবেশ তৈরী হবেনা। আমাদের চেষ্টা করতে হবে যেন অভিযোগ দেওয়ার মতো কোন পরিবেশ সৃষ্টি না হয়।

বিশেষ অতিথি নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ কীভাবে করতে হয় এবং তার প্রতিকার কীভাবে করা হয় তা এই সেমিনারের মাধ্যমে আপনারা জানবেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বক্স রয়েছে। যদি কোন শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হন তাহলে তিনি নাম-ঠিকানা উল্লেখে করে উক্ত অভিযোগ বক্সে অভিযোগ জমা দিতে পারবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আপনার নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং আপনি আপনার অভিযোগের যথাযথ প্রতিকার পাবেন। কোন শিক্ষার্থী কোন অভিযোগ করতে ভয় পেলে তার পক্ষ হয়ে তার অভিভাবকের অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে।
বিশেষ অতিথি নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, সরকার চাকরীক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা কার্যকর হলে আমরা সকলেই জবাবদিহিতার আওতায় চলে আসবো। আমরা সকলেই যেন যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করি। যদি কোন অভিযোগ না আসে তখনই ধরে নিতে হবে সব স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণী প্রতিনিধি, অ্যালামনাই, অভিভাবক এবং সাংবাদিকসহ মোট ৪০ জন অংশ নেন।

আরও পড়ুন

  • ক্যাম্পাস এর আরও খবর