• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ৪ জুলাই, ২০২৪

আন্দোলনের ২য় দিনেও অচলাবস্থায় নোবিপ্রবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, নোবিপ্রবি: বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পেনশনসংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সুপার গ্রেডে অন্তর্ভুক্তি এবং স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে ২য় দিনের মতো সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। নীতিমালা প্রত্যাহারসহ ইউজিসি’র অভিন্ন নীতিমালায় ১২ দফা সংযোজনের দাবিতে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। দাবি না মেনে নেয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে বলে ঘোষণা দেন শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি পালন করেন এবং প্রশাসনিক ভবনের নিচ তলায় অবস্থান কর্মসূচি এবং কর্মবিরতি পালন করেন কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বিপ্লব মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুজ্জামান, সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং শিক্ষকরা। এ ছাড়াও সমিতির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন পলাশ এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়াজিদ ইসলাম ইমন।

আন্দোলনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বিপ্লব মল্লিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ ৩টি মূল দাবি নিয়ে পথে নেমেছে। শিক্ষকরা পড়াশোনা করবে, গবেষণা করবে। তাদের যদি সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে নামিয়ে দেয় তা সঠিক বিচার হচ্ছে না। পেটে ক্ষুধা নিয়ে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজে মনোযোগী হবে না। সাধারণ সম্পাদক ড. আনিসুজ্জামান রিমন বলেন, আজকের এই আন্দোলন আমাদের পেশার অস্তিত্বের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আন্দোলন যদি সফল হয় তবে আমাদের শিক্ষার্থীরাও এর সুফল ভোগ করবে।

আমরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করেছি কর্মবিরতির কারণে সাময়িক ক্লাস পরীক্ষায় কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্যাটি আমাদের শিক্ষকরা আন্তরিকতার সঙ্গে কিছু অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করবেন।

আরও পড়ুন