
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মরদেহ তার বাড্ডার বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
চিরকুটে লেখা ছিল ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেয়া গিফটগুলো ফেরত দেয়া’। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে একজন শিক্ষক ও তার এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা।
তিনি জানান, মিমোর মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, সকালে বিষয়টি জানার পর বিভাগের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে যান। পরে তার মোবাইল ফোনের কিছু তথ্য বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার যোগাযোগের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।
গুলশান জোনের (বাড্ডা) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া কিছু তথ্য ও আলামতের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় মিমোর ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :