
মোহাম্মদ হানিফ, সোনাইমুড়ী : সোনাইমুড়ীতে অপহরণ মামলার বাদীর বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ও মামলা প্রত্যাহার করতে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের সুরুলি গ্রামের মোজাম্মেল হকের পুত্র ও সোনাইমুড়ী সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক শামীম-আল মাহমুদ সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
ভুক্তভোগী দলিল লেখক শামীম আল মাহমুদ বলেন, তাকে গত ২৪ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে একই এলাকার মৃত মজিবুল হকের পুত্র বেলায়েত হোসেন, নুরুল আমিন, ইব্রাহিম খলিল, রফিক উল্লাহ ও আরজু মোবাইল ফোনে কল করে নোয়াখালীর মাইজদী নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীকে রাত সাড়ে সাতটার দিকে সেখানের মুন হসপিটালের দ্বিতীয় তলায় আটকের পর মারধর করে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে।এক পর্যায়ে অপহরণকারীরা ৩৪ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও অলিখিত কাগজপত্রে স্বাক্ষর আদায় করে।
তার পরিবারের কাছে ফোনে টাকা দাবি করে।দলিল লেখকের পিতা মোজাম্মেল হকদ নোয়াখালী সদর সুদারাম থানার এসআই অহিদ মুরাদের সহযোগিতায় রাত তিনটায় তাকে উদ্ধার করে।এই ঘটনায় দলিল লেখক শামীম আল মাহমুদ বাদী হয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। সিআর মামলা নং ২০৫৩/২০২৪ ইং। বর্তমানে মামলাটি নোয়াখালী সিআইডি তদন্ত করছে।
অপহরণকারীদের প্রধান হোতা বেলায়েত হোসেনের আস্তাবাজন আবু নাসের নামক এক ব্যক্তিকে দিয়ে দলিল লেখকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে নোয়াখালী জেলা সাব রেজিস্টারসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছেন। অপহরণ মামলার বাদীকে মামলা প্রত্যাহার করতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন প্রকার হুমকি দুমকি দিয়ে আসছে বলে ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
সোনাইমুড়ী সাব রেজিস্টার আনছার আহমেদ জানান,দলিল লেখক শামীমকে অপহরণ করা হয়েছে তিনি শুনেছেন। এই কারণে মামলাও হয়েছে।তবে এখন এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে লিখিত আবেদন করেছেন।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি মোরশেদ আলম জানান, এক দলিল লেখককে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ মুঠোফোন পেয়েছেন। তবে লিখিত অভিযোগ পাননি।
আপনার মতামত লিখুন :