
নিউজ ডেস্ক : মহান মে’ দিবস উদযাপন পরিষদ-২০২৫ এর পক্ষ থেকে বলা হয় মে দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতার বিষয় নয়। নতুন করে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে উজ্জীবিত ও শপথের দিন।
মহান মে দিবস উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ১ মে সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক নাসির উদ্দীন আহম্মদ নাসু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূঁইয়া, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা এর সভাপতি জাফর হোসেন, ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রাটিক ফ্রন্ট এর নেতা মাইকেল চাকমা, জতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের কমরেড মাসুদ খান, বাংলাদেশের সোস্যালিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মকুল, জাতীয় গণফ্রন্ট এর নেতা রজত হুদা ও শহীদ বিপ্লবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদ সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।
সভা পরিচালনা করেন বাসদ এর কেন্দ্রীয় নেতা মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন।
সমাবেশ বক্তারা বলেন, শ্রমজীবী মানুষ অজস্র রক্ত-জীবনের বিনিময়ে ৮ ঘণ্টা শ্রমদিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি অর্জন করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা শুধু আনুষ্ঠানিকতা ও কাগজপত্রেই এখনো সীমাবদ্ধ। বারবার শ্রমজীবী মানুষের আত্মদান ছিনতাই হচ্ছে। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলেও জীবন ও রক্তস্রোতে ক্ষমতায় বসা অন্তর্বর্তী সরকার সেই ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে। তাদের যাত্রা শুরু হয় শ্রমিক হত্যার মধ্য দিয়ে। মব-এর নামে কার্যত খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যকে জায়েজ করা হচ্ছে। একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে সিন্ডিকেট-ফড়িয়াদের স্বার্থই রক্ষা করছে। শ্রমিকের বেতন বাড়ার পরিবর্তে প্রকৃত মজুরি কার্যত কমছে। মজুরি-বকেয়া পরিশোধের দাবি করলে শ্রমিকরা হত্যা-নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। এতে করে স্পষ্ট হয়, হাতবদল হলেই শোষণ-নিপীড়ন বন্ধ হয় না। একমাত্র শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে বুর্জোয়া রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করে শোষিত-নিপীড়িত জাতি ও জনগণের রাষ্ট্র-ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই মুক্তি সম্ভব।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ দাবি তুলেন, বুর্জোয়া রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাখান করুন, শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে শোষিত নিপীড়িত জাতি ও জনগণের রাষ্ট্র-ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান কর।
আপনার মতামত লিখুন :